• ই-পেপার

কবে আসছে ‘ব্যাডস অব বলিউড’-এর দ্বিতীয় সিজন?

থালাপতি বিজয়-সংগীতার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা

বিনোদন ডেস্ক
থালাপতি বিজয়-সংগীতার সম্পর্ক নিয়ে নতুন জল্পনা
সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা ও তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপাতি বিজয় এবং তার স্ত্রী সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমের দাম্পত্য জীবন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিবাহবিচ্ছেদের মামলা আদালতে গড়ালেও, সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলছে—দুজনের মধ্যে সম্পর্ক সমঝোতার চেষ্টা চলছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের দাম্পত্য সংকট সৌহার্দ্যপূর্ণভাবে সমাধানের লক্ষ্যে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। যদিও বিজয় বা সংগীতা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি, তবু সম্ভাব্য সমঝোতাকে ঘিরে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।

প্রতিবেদনগুলোতে আরো দাবি করা হয়েছে, বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর পারিবারিক এই সংকট নিরসনে মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছেন। দুই পক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে মতপার্থক্য দূর করার চেষ্টা করছেন বলেও জানা গেছে।

দীর্ঘদিন ধরে ছেলে জেসন সঞ্জয় ও মেয়ে দিব্য সাশাকে নিয়ে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছিলেন সংগীতা। সম্প্রতি তিনি চেন্নাইয়ে ফিরেছেন। 

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, ভবিষ্যতে তাদের সম্পর্ক কোন দিকে এগোবে, তা নিয়ে আলোচনা এবং পরিস্থিতি নতুন করে মূল্যায়নের উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিজয় ও সংগীতার পরিচয়ের গল্পটিও কম চমকপ্রদ নয়। ১৯৯৬ সালে চেন্নাইয়ে একটি শুটিং সেটে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। সে সময় যুক্তরাজ্য থেকে প্রিয় তারকার সঙ্গে দেখা করতে ভারতে এসেছিলেন সংগীতা। সেই পরিচয় ধীরে ধীরে বন্ধুত্ব, পরে প্রেমে রূপ নেয়।

অবশেষে ১৯৯৯ সালের ২৫ আগস্ট বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। ২০০৫ সালে তাদের ঘর আলো করে জন্ম নেয় ছেলে জেসন সঞ্জয়। পরে জন্ম হয় কন্যা দিব্য সাশার। দীর্ঘ ২৩ বছরের দাম্পত্য জীবনের পর বিচ্ছেদের খবর ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

জানা গেছে, চেন্নাইয়ের একটি পারিবারিক আদালতে দায়ের করা বিবাহবিচ্ছেদের মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি সোমবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে সেই শুনানির আগেই সম্পর্ক জোড়া লাগার সম্ভাবনা নিয়ে নতুন গুঞ্জন শুরু হয়েছে। শেষ পর্যন্ত বিজয় ও সংগীতা বিচ্ছেদের পথেই হাঁটবেন, নাকি নতুন করে সম্পর্ককে আরেকটি সুযোগ দেবেন সেটিই এখন দেখার বিষয়।

এবার বলিউড থেকে অবসর নিচ্ছেন প্রীতম!

বিনোদন ডেস্ক
এবার বলিউড থেকে অবসর নিচ্ছেন প্রীতম!
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক ও সুরকার প্রীতমকে ঘিরে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার একটি পোস্ট ঘিরে ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নানা জল্পনা। অনেকের ধারণা, তিনি হয়তো প্লেব্যাক ও বাণিজ্যিক সংগীতজগত থেকে সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন।

সম্প্রতি নিজের জন্মদিন উদযাপন করেন প্রীতম। ১৪ জুন দিনভর সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও ভক্তদের শুভেচ্ছায় সিক্ত হন তিনি। তবে দিন শেষে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট অনেককেই বিস্মিত করেছে।

পোস্টে প্রীতম লিখেছেন, ‘আজ আমি নিজেকে কয়েক বছর উপহার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এবার থেকে জীবনটাকে একেবারে অন্যভাবে বাঁচব। যেসব বিষয় এতদিন মিস করেছি, সেগুলোর স্বাদ নেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত। এখন নতুন সফরে পা রাখার সময় এসেছে, যে কাজগুলোকে এতদিন অপেক্ষা করিয়ে রেখেছিলাম, সেটাই করব।’

এই বক্তব্যের পর থেকেই তার অবসর নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। যদিও পোস্টে সরাসরি সংগীতজগৎ বা প্লেব্যাক থেকে সরে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেননি তিনি।

পোস্টের পরবর্তী অংশে প্রীতম আরো লেখেন, ‘বাণিজ্যিক কাজের অভিজ্ঞতা আমার দারুণ। তবে বরাবরই অজানা-অচেনা পথের প্রতি আমার কৌতূহল বেশি। আপনাদের সবার ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য সবসময় ধন্যবাদ।’

পোস্টটি প্রকাশের পর ভক্তরা মন্তব্যের ঘরে নানা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। একজন লিখেছেন, ‘আপনিও বিরতি নিচ্ছেন! প্রীতমের নতুন গানগুলো মিস করব। বিশেষ করে অরিজিৎ-প্রীতমের জুটিটাকে।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘এতে বলিউডের ক্ষতি হলেও প্রকৃত সংগীতপ্রেমীদের জন্য হয়তো আশীর্বাদ হয়ে আসবে।’

তবে ভক্তদের এমন মন্তব্যের কোনো জবাব দেননি প্রীতম। ফলে তিনি সত্যিই অবসরের পথে হাঁটছেন, নাকি জীবনের নতুন কোনো অধ্যায়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন—সেটি এখনো স্পষ্ট নয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে গায়ক অরিজিৎ সিংয়ের অবসরসংক্রান্ত ঘোষণাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। এবার একই ধরনের রহস্যময় বার্তায় আলোচনার কেন্দ্রে এলেন প্রীতম।

বিবাহবার্ষিকীতে যমজ সন্তানদের প্রকাশ্যে আনলেন রাম চরণ!

বিনোদন ডেস্ক
বিবাহবার্ষিকীতে যমজ সন্তানদের প্রকাশ্যে আনলেন রাম চরণ!
সংগৃহীত ছবি

সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘পেডি’র সাফল্যের আনন্দের মধ্যেই জীবনের আরেকটি বিশেষ মুহূর্ত উদযাপন করলেন তেলুগু সুপারস্টার রাম চরণ ও তার স্ত্রী উপাসনা কোনিডেলা। ১৪ জুন তাদের ১৪তম বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আনলেন সদ্যোজাত যমজ সন্তানের ঝলক।

চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি দ্বিতীয়বারের মতো বাবা-মা হন এই তারকা দম্পতি। সে সময় তাদের ঘর আলো করে আসে এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তান। পরিবারে নতুন অতিথিদের আগমনের সুখবর প্রথম জানিয়েছিলেন রাম চরণের বাবা ও কিংবদন্তি অভিনেতা চিরঞ্জীবী।

বিবাহবার্ষিকীর বিশেষ দিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি আবেগঘন ছবি শেয়ার করেন রাম চরণ ও উপাসনা। ছবিতে তিন সন্তানের ছোট্ট ছোট্ট হাত একসঙ্গে দেখা যায়। এর মধ্য দিয়েই প্রথমবার প্রকাশ্যে আসে যমজ সন্তান শিব রাম ও অনবিরার ঝলক। একই ছবিতে বড় মেয়ে ক্লারা কোনিডেলার হাতও দেখা যায়।

Ram Charan and Upasana share first glimpse of their newborn twins

ছবির ক্যাপশনে উপাসনা লিখেছেন, ‘আমার মন সত্যিই ভরে গেছে।’

পোস্টটি প্রকাশের পর শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভরে ওঠে মন্তব্যের ঘর। অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল, হুমা কুরেশিসহ বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকাই এই দম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ভক্তরাও নবজাতকদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।

দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, এরপর ২০১১ সালের ডিসেম্বরে বাগদান এবং ২০১২ সালের জুনে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন রাম চরণ ও উপাসনা। তারপর থেকে তারা দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনের অন্যতম জনপ্রিয় দম্পতি হিসেবে পরিচিত।

রাম চরণ ও উপাসনার বড় মেয়ে ক্লারা কোনিডেলার জন্ম হয় ২০২৩ সালের জুন মাসে। এরপর ২০২৬ সালের শুরুতে যমজ সন্তানের জন্মের মধ্য দিয়ে তাদের পরিবারে সদস্যসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় পাঁচজনে।

গাজী রাকায়েতের জন্মদিন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন

বিনোদন প্রতিবেদক
গাজী রাকায়েতের জন্মদিন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিশেষ আয়োজন
সংগৃহীত ছবি

অভিনেতা, নাট্যকার, নির্দেশক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা গাজী রাকায়েতের ৬০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্যোগে ১৫ ও ১৬ জুন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল হলে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজনের প্রথম দিন সন্ধ্যা ৭টায় মঞ্চস্থ হবে গাজী রাকায়েত নির্দেশিত নাটক ‘নানা রঙের দিন’। নাটকটির এটি ১০১তম প্রদর্শনী। একই দিনে প্রদর্শিত হবে তার পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘একটি লাশের গল্প’।

দ্বিতীয় দিন, ১৬ জুন সন্ধ্যা ৭টায় প্রদর্শিত হবে গাজী রাকায়েত পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মানুষটিকে দেখ’। চলতি বছরের ১ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি ইতিমধ্যে দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

জন্মবার্ষিকী উদযাপন প্রসঙ্গে গাজী রাকায়েত বলেন, ‘জন্মদিন উদযাপনে বিশেষ আগ্রহ না থাকলেও ৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা এ আয়োজন করেছে। শিল্পী হিসেবে সবসময় মানুষের আনন্দ ও চিন্তার খোরাক জোগানোর চেষ্টা করে গেছি। ভবিষ্যতেও সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’

অনুষ্ঠানে নাটক ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি তাকে শুভেচ্ছা জানাবেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী, সংস্কৃতিকর্মী এবং সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

১৯৬৬ সালের ১৫ জুন ঢাকার গেন্ডারিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন গাজী রাকায়েত। স্কুলজীবন থেকেই অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহ ছিল। তবে পড়াশোনার পাশাপাশি সেই আগ্রহকে লালন করেন তিনি। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) অধ্যয়নকালে অভিনয় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নাট্যাঙ্গনে যুক্ত হন। 

এরপর অভিনয়, নাট্যরচনা, নির্দেশনা এবং চলচ্চিত্র নির্মাণে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।