• ই-পেপার

দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর, ভাড়া বাসা থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীতে তাজিয়া মিছিলে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

অনলাইন ডেস্ক
রাজধানীতে তাজিয়া মিছিলে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পুরান ঢাকার বাংলাবাজার এলাকায় তাজিয়া মিছিলে ছুরিকাঘাতে অজ্ঞাতপরিচয় (৩০) এক যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, তাজিয়া মিছিল চলাকালে ওই যুবক ছুরিকাঘাতের শিকার হন। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (মিটফোর্ড) নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান। তিনি জানান, বিকেলে তাজিয়া মিছিল থেকে বাংলাবাজার এলাকায় ধারালো ছুরিসদৃশ বস্তুর আঘাতে ওই যুবক গুরুতর আহত হয়। পরে সেখান থেকে পথচারীরা তাকে স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরো জানান, নিহত ওই যুবকের নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। তার বয়স আনুমানিক ৩০ বছর। পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টার পাশাপাশি এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে বনানীতে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডেঙ্গু প্রতিরোধে বনানীতে অভিযান, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

রাজধানীর বনানীতে এডিস মশার লার্ভা অনুসন্ধান ও ধ্বংসে বিশেষ অভিযান চালানো হয়েছে। ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় টাস্কফোর্সের উদ্যোগে ১৮, ২১ ও ২৪ নম্বর সড়কে এই অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শুক্রবার (২৬ জুন) অভিযান চলাকালে বনানীর ২৪ নম্বর সড়কের একটি নির্মাণাধীন আবাসিক ভবনে সতর্ক করার পরও এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মাইকিং, লিফলেট ও স্টিকার বিতরণের মাধ্যমে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচার চালানো হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রী সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে তাদের নিরলস পরিশ্রমের জন্য ধন্যবাদ জানান।

মীর শাহে আলম বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে জরিমানা করা বা জেলে পাঠানো নয়; আমাদের উদ্দেশ্য মানুষের জীবন বাঁচানো এবং ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ে তোলা।

তিনি বলেন, সিটি করপোরেশনের একার পক্ষে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। নিয়মিত অভিযান চললেও এটি সফল করতে নগরবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমাদের পরিবার ও সন্তানদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার সঙ্গে বিষয়টি সরাসরি জড়িত।

তিনি নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাড়ির ছাদ, আঙিনা, বেসমেন্ট, ফুলের টব, ডাবের খোসা, রঙের কৌটা, পুরোনো টায়ার বা যেকোনো পাত্রে যেন তিনদিনের বেশি পানি জমে না থাকে। প্রতি তিনদিন পরপর জমে থাকা পানি ফেলে দিতে হবে এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত বাড়ির আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। পাশাপাশি যত্রতত্র ময়লা না ফেলারও আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরো বলেন, ডেঙ্গুর প্রজনন মৌসুম বিবেচনায় মশার উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করা এখন সময়ের দাবি। যত্রতত্র ময়লা না ফেলে এবং সচেতনতার মাধ্যমে এই লড়াইয়ে নাগরিক অংশগ্রহণের মাধ্যমেই ডেঙ্গু মোকাবেলা সম্ভব।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক ও ওয়ার্ড কার্যালয়গুলো থেকে বিনামূল্যে মশার লার্ভা ধ্বংসকারী ট্যাবলেট সংগ্রহ করা যাবে। নাগরিকদের নিজ উদ্যোগে এসব ট্যাবলেট ব্যবহার করে জমে থাকা পানিতে লার্ভা ধ্বংসের আহ্বান জানান তিনি।

তিনি গণমাধ্যমের প্রতি ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচার জোরদারের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-কে নির্মাণাধীন ও আবাসিক ভবনগুলোতে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সদস্যদের নোটিশ দেওয়ার অনুরোধ করেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকারি কোয়ার্টারগুলোতেও একই ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

অভিযান শেষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী জানান, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন বাসাবাড়ি, বিভিন্ন স্থাপনা ও রেস্টুরেন্টে পরিচ্ছন্নতা অভিযান, ওষুধ ছিটানো এবং লার্ভা ধ্বংস কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, টানা তিন দিনের অভিযানে বনানীর সরকারি কোয়ার্টার ও আশপাশের প্রায় ৫০ শতাংশ বাসাবাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে, যা নাগরিক সচেতনতা আরো বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দেয়।

অভিযানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, আঞ্চলিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আজিজুন নেছা, বনানী সোসাইটির সহ-সভাপতি ড. তানভীর আহমেদ খান, সাধারণ সম্পাদক ইরফান ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা আক্তার নেলী, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ওয়ারীতে স্যানিটারি মিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ওয়ারীতে স্যানিটারি মিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর ওয়ারীর একটি বাসা থেকে জসিম (২৫) নামে এক স্যানিটারি মিস্ত্রির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওয়ারীর ২৩/৩, বি. কে. এম. দাস লেনের একটি বাসার নিচতলার ভাড়া বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত জসিম জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ ভাতখাওয়ার চর গ্রামের মোতালেবের ছেলে। তিনি পেশায় স্যানিটারি মিস্ত্রি ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তার মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

অনলাইন ডেস্ক
ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় আগামী ২৮ জুন ৫৪টি স্থায়ী এবং ১ হাজার ৮৫১টি অস্থায়ী কেন্দ্রে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ডিএনসিসির নগর ভবনে স্বাস্থ্যবিভাগের উদ্যোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে মোট ৩ হাজার ৮১০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে তদারকির জন্য ১৮৩ জন প্রথম সারির এবং ১০৩ জন দ্বিতীয় সারির সুপারভাইজার নিয়োজিত থাকবেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, আগামী রবিবার (২৮ জুন) দিনব্যাপী ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সব শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১ বছর থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এতে আরো জানানো হয়, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী, বস্তিবাসী এবং বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থানকারী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য ডিএনসিসির পক্ষ থেকে চারটি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হবে। ক্যাম্পেইনের দিনসহ পরবর্তী চারদিন মোবাইল সেবার মাধ্যমে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এ ছাড়া কর্মজীবী অভিভাবকদের সুবিধার্থে ক্যাম্পেইনের দিনসহ পরবর্তী চারদিন ডিএনসিসির স্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকবে।