• ই-পেপার

স্কুলে সাংস্কৃতিক বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ ও সংস্কৃতি খাতে ২ শতাংশ বাজেটের দাবি

ধানমণ্ডিতে বহুতল ভবন থেকে পড়ে গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ধানমণ্ডিতে বহুতল ভবন থেকে পড়ে গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর ধানমণ্ডিতে একটি বহুতল ভবন থেকে নিচে পড়ে মোছা. রিক্তা মনি (১১) নামের এক শিশু গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল আনুমানিক ৬টায় ধানমণ্ডির ৯/এ নম্বর রোডের ৩৭ নম্বর বাসার ছাদে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত রিক্তা সুনামগঞ্জ জেলার সালনা থানার নিজগাঁও গ্রামের দিনমজুর মো. শাহিন আলী ও মাজেদা বেগম দম্পতির মেয়ে। চার বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে সে ছিল দ্বিতীয়।

সত্যতা নিশ্চিত করে ধানমণ্ডি থানার উপপরিদর্শক জান্নাতুল ফেরদৌসী বলেন, সকালে ওই বাসার ছাদ থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয় রিক্তা। পরে আহত অবস্থায় রিক্তাকে উদ্ধার করে ধানমণ্ডির ১৫/এ নম্বর রোডের ইবনে সিনা স্পেশালাইজড অ্যান্ড কার্ডিয়াক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ধানমণ্ডি থানা-পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে বিকেল ৪টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

তবে রিক্তার পরিবারের অভিযোগ, তাকে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে। নিহতের বাবা শাহিন আলী জানান, ঈদুল আজহার ১৫ দিন আগে এলাকার পরিচিত গাজীবুল নামের এক ব্যক্তির মাধ্যমে চার হাজার টাকা বেতনে মেয়েটিকে ওই বাসায় কাজে দিয়েছিলেন।

শাহিন আলী অভিযোগ করে বলেন, কয়েক দিন আগে রিক্তা ফোন করে তার মায়ের কাছে কান্নাকাটি করেছিল, সে আর ওই বাসায় কাজ করবে না। গত শুক্রবারেও ভিডিও কলে কেঁদেছিল। আমরা মেয়েকে নিয়ে আসতে চাইলে বাড়ির মালিক বলেন, গাজীবুলকে ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন। ওই টাকা ফেরত দিয়ে মেয়েকে নিয়ে যেতে হবে। আমরা টাকা দিয়ে মেয়েকে নিয়ে আসতে রাজি হয়েছিলাম।

তিনি আরো বলেন, আজ হঠাৎ সকালে ফোনে আমাদের জানানো হয় রিক্তার আমাশয় হয়েছে এবং সে খুব অসুস্থ। পরে এসে জানতে পারি সে নাকি ভবন থেকে পড়ে গেছে। আমার মেয়ে ভবন থেকে পড়ে যায়নি, তাকে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে।

রাজধানীতে নির্মীয়মাণ ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে নির্মীয়মাণ ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর বাড্ডা আফতাবনগর এলাকায় একটি নির্মীয়মাণ ভবন থেকে নিচে পড়ে ইকবাল হোসেন (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইকবাল হোসেন যশোর জেলার মণিরামপুর থানার সালামপুর গ্রামের মোদাচ্ছের আলীর ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রির সহকারী ছিলেন এবং আফতাবনগরের ওই নির্মীয়মাণ ভবনেই থাকতেন।

নিহতের সহকর্মী আব্দুল মালেক জানান, সকালে আফতাবনগরে একটি নির্মীয়মাণ ৯ তলা ভবনের ৮ তলা থেকে সাটারিংয়ের কাঠ নিয়ে ৯ তলায় উঠছিলেন ইকবাল। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি ওপর থেকে নিচে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

উদ্ধার করে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ইকবালকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক শুভাশিস গাঙ্গুলি। তিনি জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্তমানে ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। 

গুলিস্তানের আবাসিক হোটেলে সৌদি প্রবাসীর মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
গুলিস্তানের আবাসিক হোটেলে সৌদি প্রবাসীর মৃত্যু

রাজধানীর গুলিস্তানের একটি আবাসিক হোটেলে আল আমিন (৪০) নামের এক সৌদি প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। ফেসবুকে পরিচয় হওয়া নারী বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে এসে শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে এ ঘটনা ঘটে। তবে তার মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি।

আল আমিন গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুর রাস্তা এলাকার মৃত ফেরদৌস উদ্দীনের ছেলে। আর তার নারী বন্ধু বাগেরহাটের বাসিন্দা। ঢাকায় এলে দুজনের দেখা হয় গুলিস্তানে। ওঠেন হোটেল রমনার নবম তলার একটি রুমে। সেখানে তাদের কথাবার্তা হয়।

ওই নারী বন্ধু জানিয়েছেন, প্রায় ৬ মাস আগে ফেসবুকে তাদের পরিচয় হয়। সেই থেকে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায়ই কথা হতো তাদের মধ্যে। চলতি মাসের ১৩ জুন আল আমিন সৌদি থেকে দেশে আসেন। বৃহস্পতিবার কথা হয় তাদের মধ্যে। শুক্রবার সকালে তিনি বাগেরহাট থেকে গুলিস্তান আসেন।

তিনি বলেন, আল আমিন ওয়াশরুমে যায়। সেখানে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর হঠাৎ একটি ভারী শব্দ শুনতে পাই। ভেতরে গিয়ে দেখি ওয়াশরুমের দরজা খোলা অবস্থায় আল আমিন মেঝেতে পড়ে আছেন। এটি দেখে চিৎকার দিলে হোটেলের বয় হানিফসহ কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসে। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে দুপুরে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃতের ছোট ভাই রুহুল আমিন জানিয়েছেন, তার বড় ভাই আল আমিন চলতি মাসের ১৩ তারিখ বাংলাদেশে আসেন। সৌদি থেকে কিছু মালামাল কাউকে দিতে ঢাকায় এসেছিলেন। পরে সংবাদ পাই রমনা হোটেলের ওয়াশরুমে পড়ে মারা গেছেন। ঢাকা মেডিকেলে এসে তার মৃতদেহ দেখতে পাই।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। পল্টন থানায় অবগত করা হয়েছে। বিষয়টি তারা তদন্ত করে দেখবেন।

মোহাম্মদপুরে বাসার সামনে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম

নিজস্ব প্রতিবেদক
মোহাম্মদপুরে বাসার সামনে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম
মো. নুরুল ইসলাম। ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নিজ বাসার সামনে মো. নুরুল ইসলাম (৫৫) নামের এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে মোহাম্মদপুরের সাত মসজিদ রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নুরুল ইসলাম মোহাম্মদপুর থানার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে বিকেলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহতের ভাতিজা ইয়াছিন বলেন, দুপুর আড়াইটার দিকে তার চাচা নুরুল ইসলাম সাত মসজিদ রোডের ৪ নম্বর সড়কের ৩১ নম্বর বাসার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে হেলমেট পরিহিত ছয় যুবক এসে কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

কী কারণে বা কারা এ হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি ইয়াছিন। তবে তিনি ধারণা করছেন, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে। এলাকায় খোঁজখবর নিলে বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানান তিনি।