• ই-পেপার

মিছিলের প্রস্তুতি, রাজধানীতে আওয়ামী লীগের ২৯ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, যেমন থাকবে তাপমাত্রা

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, যেমন থাকবে তাপমাত্রা

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে গরমের দাপট থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। 

শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

আরো পড়ুন
ভেঙে গেল জার্মান তারকার দুই দশকের সংসার

ভেঙে গেল জার্মান তারকার দুই দশকের সংসার

 

এতে বলা হয়েছে, আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এদিকে সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৬১ শতাংশ।

শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
শুক্রবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে মানুষ দোকানপাট ও মার্কেটে যায়। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পায় সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক শুক্রবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব শপিং সেন্টার 
আজিমপুর সুপার মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠ বাজার, চক বাজার, বাবু বাজার, নয়া বাজার, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, শারিফ ম্যানসন, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট।

আরো পড়ুন
ভিক্ষুককে কুপিয়ে ১৬০ টাকা ছিনতাই, অতঃপর...

ভিক্ষুককে কুপিয়ে ১৬০ টাকা ছিনতাই, অতঃপর...

 

যেসব দর্শনীয় স্থান বন্ধ
সামরিক জাদুঘর : এটি বিজয় সরণিতে অবস্থিত। প্রতিদিন সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ।

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর, আগারগাঁও : বৃহস্পতি ও শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির জন্য বন্ধ থাকে। শনি থেকে বুধবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে। প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ৫ টাকা। এ ছাড়া শনি ও রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১০ টাকার টিকিটের বিনিময়ে টেলিস্কোপে আকাশ পর্যবেক্ষণ করা যায়।

শিশু একাডেমি জাদুঘর : শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

ট্রাফিক আইন মানার হুঁশিয়ারি, নিজেই অনির্ধারিত ক্রসিং পার হলেন ডিএমপি কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক
ট্রাফিক আইন মানার হুঁশিয়ারি, নিজেই অনির্ধারিত ক্রসিং পার হলেন ডিএমপি কমিশনার

ট্রাফিক আইন মানার ক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি সবাই সমান, এমনকি প্রধানমন্ত্রীও ট্রাফিক আইন মেনেই যাতায়াত করছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তবে এমন বক্তব্য দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই কমিশনারের গাড়িবহরকে অনির্ধারিত ক্রসিং দিয়ে ব্যারিকেড সরিয়ে  রাস্তা পার হতে দেখা গেল।

ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিজেদের সফলতা জানাতে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলে মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন কমিশনার। সংবাদ সম্মেলন শেষে ডিএমপি সদর দপ্তরের দিকে যাওয়ার পথে তিনি ওই অনির্ধারিত পথটি পার হন।

মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টার থেকে ডিএমপি সদর দপ্তরের দিকে যেতে হলে সাধারণ যানবাহনগুলোকে অনেকটা পথ ঘুরে মগবাজারে ফ্লাইওভারের নিচ দিয়ে ইউটার্ন নিতে হয়। তবে বৃহস্পতিবার বিকেলে মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন শেষে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের গাড়িবহর অবশ্য সে পথে গেল না। মিন্টো রোডের ওই ক্রসিংয়ে ত্রিকোণাকৃতির কোন ও দড়ি দিয়ে পুলিশ সাধারণের জন্য যে (ব্যারিকেড) প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেছিল, সেটি সরিয়েই নিজেদের কমিশনারকে পার করে দিতে দেখা গেল পুলিশ সদস্যদের। এর আগে দুই পাশের যান চলাচল বন্ধ রাখতেও দেখা যায় দায়িত্বরত পুলিশের সদস্যদের। যদিও এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গমনাগমনের ক্ষেত্রেও কোনো রাস্তা বন্ধ রাখা হয় না বলে বিভিন্ন সময় পুলিশের পক্ষ থেকেই জানানো হয়েছে।

অনির্ধারিত ক্রসিংটি ব্যবহারের কয়েক মিনিট আগেই সংবাদ সম্মেলনের ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘সরকারি-বেসরকারি সব যানবাহনের জন্যই আইন সমান। এমনকি আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ট্রাফিক আইন মেনেই গাড়ি চালান।’

শহরের সরকারি গাড়িগুলোকে বেশি ট্রাফিক আইন অমান্য করতে দেখা যায়। তাদের নিয়ন্ত্রণে কী পরিকল্পনা করছেন ডিএমপি কমিশনার- এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ট্রাফিকের আইন আসলে সবার জন্যই সমান, সেটা সরকারি হোক বেসরকারি হোক। যেমন- আমরা কিন্তু আমাদের পুলিশ সদস্যের ক্লিয়ার মেসেজ দিয়েছি যে, কেউ যদি ট্রাফিক আইন অমান্য করে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব ট্রাফিক আইন অনুযায়ী। তেমনিভাবে আপনি জানেন যে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী কিন্তু ট্রাফিক আইন মেনে যাতায়াত করেন। তো সেখানে আর অন্যদের ব্যাপারে তো অবশ্যই...আমাদের সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক আমাদের অবস্থান কিন্তু স্পষ্ট। যে ট্রাফিক আইন যিনি লঙ্ঘন করবেন, ট্রাফিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা তার বিরুদ্ধে নেওয়া হবে।’

তবে সংবাদ সম্মেলন শেষে নিজের দপ্তরে যাওয়ার সময় কমিশনার জনসাধারণের জন্য নির্ধারিত পথটি ব্যবহার করলেন না।

ওই পথ নিয়মিত ব্যবহার করেন মোটরসাইকেল চালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। তিনি বলছেন, ‘আমি প্রতিদিন এই পথে যাই। মিন্টু রোড থেকে বেইলিরোড বা কাকরাইলের দিকে যেতে হলে হয় মগবাজারে ফ্লাইওভারের নিচে দিয়ে ঘুরে আসতে হয়, না হয় হেয়ার রোড হয়ে যেতে হয়। কিছুক্ষণ আগে ডিএমপি কমিশনার যে ক্রসিং অতিক্রম করলেন, সেটা জনসাধারণের জন্য সবসময় বন্ধই থাকে।’

কমিশনারের সংবাদ সম্মেলন শেষ হওয়ার পরপরই ওই ক্রসিংয়ের দড়ির প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে দিয়ে দুই পাশে দাঁড়িয়ে যান দুজন পুলিশ সদস্য। কমিশনারের গাড়িবহর আসার আগে ওই সড়কের দুই পাশের রাস্তাতেই যান চলাচল বন্ধ করে দেন পুলিশ সদস্যরা। কমিশনারের গাড়িবহর পার হওয়ার পর তারা আবার দড়ির প্রতিবন্ধকতাটি যথাস্থানে রেখে দেন এবং ক্রসিংটি আগের মতো বন্ধ করে দেন।

পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ
ছবি : কালের কণ্ঠ

‘রোড ডিভাইডারে গাছ লাগাই সবুজে সাজাই শহর সবাই’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিন কনসার্নস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রাজধানীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে তেজগাঁও বিএসটিআই ও আমাদের সময়ের মাঝখানের সড়ক বিভাজকে এই কর্মসূচি পালিত হয়। সংগঠনটি দেশব্যপী বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। 

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান ও আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক নজরুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি রণজিৎ সরকার, আমাদের সময়ের ভারপ্রাপ্ত বার্তা সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, অনলাইন ইনচার্জ বিপুল হাসান, আমাদের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুল্লাহ ক্বাফী, গ্রিন কনসান’স ফাউন্ডেশনের সদস্য কবি ও সাংবাদিক গিরীশ গৈরিক, এমিলিয়া খানম, লাবণ্য লিপি, আমাদের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার শাহজান মোল্লাসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দ। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সার্বিক সহযোগিতা করেছে শিকদার এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে আমাদের সময়ের নির্বাহী সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষা ও বাসযোগ্য করতে হলে পরিবেশের বিকল্পনা নাই। যেহেতু এই পৃথিবী দিন দিন উষ্ণ হয়ে উঠছে। আজ থেকে ১০ বছর আগে এই দেশে গড় তাপমাত্রা কত ছিল? এখন কত? বিষয়গুলো সবাইকে অনুধাবন করতে হবে। বাসযোগ্য দেশ গড়তে বৃক্ষ রোপণের বিকল্প নাই। আমরা আজকে এখানে নিমগাছ রোপণ করলাম। প্রশ্ন আসতে পারে নিমগাছ কেন? কারণ নিমগাছ বেশি অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং বেশি করে কার্বণডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে যা আমাদের জন্য অত্যান্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এটা  নাগরিকদের স্বস্তি দেবে। সবুজ পৃথিবী গড়তে প্রত্যেকের অন্তত একটা করে গাছ লাগানো উচিত। বর্তমান সরকার পরিবেশের বিষয়টাকে অত্যান্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরিকল্পনা জুড়ে পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার।’ 

গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. মজিবুর রহমান বলেন, ‘সমগ্র পৃথিবীব্যাপী উষ্ণায়ন পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এই দিবসকে ঘিরে আজ গ্রিন কনসান’স ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তেজগাঁও এলাকায় রোড ডিভাইডারের মাঝখানে গাছ লাগানো হলো। আমরা এখানে অনেকগুলো নিমগাছের চারা রোপন করেছি। এটা একটা ঔষুধিগাছ আপনারা জানেন নিমগাছ খুবই উপকারী একটি গাছ। এটি মানুষের রূপচর্চা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্যচর্চায় বিভিন্ন উপকারী হিসাবে ব্যহৃত হয়। আসুন সবাই একটি করে হলেও গাছ লাগাই। সবুজে ভরে উঠুক সারা পৃথিবী।’

গ্রিন কনসার্ন’স ফাউন্ডেশনের সেক্রেটারি রণজিৎ সরকার বলেন, ‘আজ আমরা একটি সুন্দর ও মানবিক উদ্যোগ নিয়ে একত্রিত হয়েছি— সড়কের ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। একটি গাছ শুধু পরিবেশ সুন্দর করে না, এটি আমাদের জীবন রক্ষা করে, বিশুদ্ধ অক্সিজেন দেয়, তাপমাত্রা কমায় এবং শহরকে বাসযোগ্য করে তোলে। বর্তমান সময়ে জলবায়ু পরিবর্তন, তীব্র গরম, বায়ুদূষণ ও পরিবেশ বিপর্যয় আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ। তাই শুধু আলোচনা নয়, এখন প্রয়োজন বাস্তব উদ্যোগ। পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়; নাগরিক সমাজ, তরুণ প্রজন্ম এবং সচেতন প্রতিটি মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই সবুজ নগর গড়ে তোলা সম্ভব নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘ডিভাইডারে রোপিত প্রতিটি চারা হবে দূষণের বিরুদ্ধে একেকটি প্রতিবাদ, উষ্ণতার বিরুদ্ধে একেকটি প্রতিরোধ এবং জীবনের পক্ষে একেকটি সবুজ ঘোষণা। শুধু বৃক্ষরোপণ নয়, বৃক্ষ সংরক্ষণেও সমানভাবে দায়িত্বশীল হবো। কারণ প্রকৃতিকে রক্ষা করা মানে মানবসভ্যতার অস্তিত্ব রক্ষা করা।’

গ্রিন কনসান’স ফাউন্ডেশনের সদস্য কবি ও সাংবাদিক গিরীশ গৈরিক বলেন, ‘পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আমরা সারা দেশব্যাপী গাছ লাগাতে চাই। এই প্রত্যাশা নিয়ে আজকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো। সরকারের সবুজায়নের উদ্যোগকে শক্তিশালী করতে গ্রিন কনসান সহায়ক শক্তি হিসাবে কাজ করবে।’