টঙ্গীর শীর্ষ মাদক সম্রাজী আফরিনা বেগমের মাদকের টাকায় নির্মিত ছয়তলা ভবনসহ তার একাধিক স্থাপনায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। অভিযানে ৬৬ বোতল ফেনসিডিল, ইয়াবা ও মাদক সেবনের নানা সরঞ্জাম, ৪৬টি মোবাইল ও নগদ ৩৯ হাজার টাকা উদ্ধার করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ জুন) রাতে জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগ এই অভিযান চালায়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান হয়। অভিযানে মাদক সম্রাজী আরফিনার নিয়ন্ত্রণাধীন ব্যাংকের মাঠ মাদক বস্তির জনৈক আমির হোসেনের ঘর থেকে ৬৬ বোতল ফেনসিডিল জব্দ হয়। আরফিনার একাধিক স্থাপনা ও গোপালপুর এলাকায় মাদকের টাকায় নির্মিত ছয়তলা ভবনে তল্লাসী করে ১১ পুঁড়িয়া গাঁজা, চার লিটার চোলাই মদ, ৪৬ টি মোবাইল ও মাদক বিক্রির ৩৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। এসময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশের একটি সূত্র জানায়, মাদক সম্রাজী আরফিনার ছয়তলা ভবনের এক ভাড়াটিয়া মালয়েশিয়া প্রবাসী এক ব্যাক্তির স্ত্রীকে সিগারেটে ইয়াবা ভরে খেতে পাওয়া যায়। ওই নারী স্বামীর সঙ্গে অভিমান করে আরফিনার বাসায় ভাড়ায় এসে মাদক সেবন করছেন বলে সাংবাদিকদের নিকট স্বীকার করেন।
এদিকে পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মাদক সম্রাজী আরফিনা বেগম দীর্ঘ দিন ধরে ব্যাংকের মাঠ মাদক বস্তিতে সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবসার আড়ালে মাদকের ব্যবসা করে আসছেন। পদবিহীন জনৈক প্রভাবশালী এক বিএনপি নেতার আশ্রয়ে তিনি বীরদর্পে মাদকের ব্যবসা করে আসছে। ফলে সহজে কেউ কিছু বলতে পারে না।
অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। মাদক নির্মূলের পূর্ব পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো মাদক কারবারি, মাদক সেবী ও গডফাদার আইনের বাইরে থাকবে না।




