• ই-পেপার

খুলনায় ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশ কাল

সিলেট থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উদ্ধার, গৃহশিক্ষক গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
সিলেট থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উদ্ধার, গৃহশিক্ষক গ্রেপ্তার
অভিযুক্ত গৃহশিক্ষক অন্তর খাঁন। সংগৃহীত ছবি

সিলেট থেকে অপহরণের শিকার এক স্কুলছাত্রীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে উদ্ধার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। একই সঙ্গে অপহরণের অভিযোগে অন্তর খাঁন (২৫) নামের তার এক গৃহশিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অপহরণের প্রায় এক মাস পর বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) রাতে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী সিলেটের মোগলাবাজার এলাকার একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। গ্রেপ্তার অন্তর খাঁন হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার এড়ালিয়াপাড়া গ্রামের আজাদ খাঁনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

র‌্যাব জানায়, গত ২১ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ওই শিক্ষার্থী বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা গত ৪ জুন মোগলাবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরবর্তীতে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, শিক্ষার্থীর গৃহশিক্ষক অন্তর খাঁন তাকে স্থানীয় কলাবাগান বাজার এলাকা থেকে জোরপূর্বক নিয়ে যান।

মামলা দায়েরের পর থেকেই র‌্যাব বিষয়টি নিয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিলেট এবং সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার যৌথ দল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চরইসলামপুর গ্রামে অভিযান চালায়।

অভিযানে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্ত অন্তর খাঁনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে র‌্যাব-৯-এর সিলেট ক্যাম্পের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থী ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে শুক্রবার সিলেটের মোগলাবাজার থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ফেসবুকে ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে কলেজছাত্র গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
ফেসবুকে ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে কলেজছাত্র গ্রেপ্তার
ছবি: কালের কণ্ঠ

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ইসলাম ধর্ম ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে সৃজন দাশ প্রান্ত (২০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে পৌরসভার পশ্চিম ছাগলনাইয়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। তিনি ফেনী সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী এবং প্রীতি লাল দাশের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘সৃজন দাস’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ইসলাম ধর্ম, মহানবী (সা.), মা ফাতিমা (রা.) এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অবমাননাকর ও উসকানিমূলক মন্তব্য করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার বাদ জুমা ছাগলনাইয়া পৌর শহরে তৌহিদী ছাত্র জনতার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ছাগলনাইয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীন মিয়া জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে মামলা করেছে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। 

প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

জামালপুর প্রতিনিধি
প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ
প্রতীকী ছবি

জামালপুর পৌর শহরে এক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে খাইরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।  

শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে জামালপুর পৌর শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীর আখ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

গ্রেপ্তারকৃত খাইরুল ইসলাম (৪৫) ওই এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের সময় প্রতিবেশী খাইরুল কৌশলে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। পরে কিশোরীর কাপড় পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ফের পরিয়ে দেয়। ভেজা কাপড় পরিহিত দেখে কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের জানায়। পরে তারা অভিযুক্তকে বৈদ্যুতিক পিলারের সাথে বেঁধে পিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

জামালপুর সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক এস এম নূর মোহাম্মদ বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নিজের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর

মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার, বগুড়া
নিজের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

নিজের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণ না করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। গত ১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো এক আধা-সরকারি (ডিও) পত্রে তিনি এই অনুরোধ জানান। পত্রে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কিছু ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তাঁর নামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের অপচেষ্টা ও প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন, যা তাঁর কাছে অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, পরিচিতি ও স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ণ রাখাই অধিকতর সমীচীন।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, শিবগঞ্জ-মোকামতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে জমি দান, নিজ অর্থে জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যয় বহন ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে তিনি শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছেন। তাঁর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১৯৯৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত মীরবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীরবাড়ি সরকারি এতিমখানা, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড বিএম মহাবিদ্যালয়, তিয়াইল মীর লাবনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতগাড়ি মীর শাহে আলম মৎস্য ও কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট, বেতগাড়ি মীর মাহাতাব–শাহে আলম মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, মোকামতলা মীর শাহে আলম–ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয়, কিচক মীর শাহে আলম কলেজ এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউটসহ বেশ কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত ও উন্নত হয়েছে।

পত্রের শেষাংশে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে অনুরোধ করেন, ইতিপূর্বে প্রতিষ্ঠিত এসব প্রতিষ্ঠানের বাইরে তাঁর বা তাঁর পরিবারের কোনো সদস্যের নামে নতুন কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব যেন গ্রহণ বা অনুমোদন করা না হয়। একই সঙ্গে তিনি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পূর্বের নাম ও পরিচিতি সংরক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

জানা গেছে, এই চিঠির অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবরও প্রেরণ করা হয়েছে।