• ই-পেপার

রাজবাড়ী

কাঁচা মরিচ-পটোলসহ কমল সব ধরনের সবজির দাম

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ

বৈরী আবহাওয়ার কারণে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথের লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বেলা ১২টার দিকে সেখানে সাময়িকভাবে সকল লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিআইডাব্লিউটিএ।

বিআইডাব্লউটিএ-এর ট্রাফিক সুপারভাইজার মো. শিমুল ইসলাম লঞ্চ বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘প্রবল ঝোড়ো হাওয়ায় পদ্মার পানি অনেকটা উত্তাল হয়ে উঠেছে। তাই দুর্ঘটনা এড়াতে দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সেখানে সকল লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি অনুকুলে এলে লঞ্চ সার্ভিস চালু করা হবে।’

গাজীপুরে পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ শতাধিক শ্রমিক

অনলাইন ডেস্ক
গাজীপুরে পোশাক কারখানায় পানি পান করে অসুস্থ শতাধিক শ্রমিক
সংগৃহীত ছবি

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা এলাকায় একটি পোশাক তৈরি কারখানায় পানি পান করে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অসুস্থ শ্রমিকদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 
 
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ‘ড্রেসম্যান লিমিটেড’ নামের একটি কারখানায় এ ঘটনা ঘটে।

শ্রমিক ও কারখানা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে কাজে যোগ দেওয়ার পর কারখানার সরবরাহ করা পানি পান করেন শ্রমিকেরা। কিছুক্ষণ পর তাদের মধ্যে অনেকের বমি, পেটব্যথা, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ও শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দেয়। একপর্যায়ে অসুস্থ শ্রমিকদের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকলে কারখানাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ অসুস্থ শ্রমিকদের উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স, বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে পাঠায়।

অসুস্থ কয়েকজন শ্রমিক অভিযোগ করেন, কারখানার পানিতে দুর্গন্ধ ছিল। পানি পান করার কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা অসুস্থ বোধ করেন। ধীরে ধীরে শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন।

কারখানার শ্রমিক জাহিদ, মাজেদুল ও তন্নি আক্তার জানান, প্রতিনিয়ত তারা কারখানার সাপ্লাই থেকে পানি পান করেন। আজও সেখান থেকেই পানি পান করার কিছুক্ষণ পর সবার মধ্যেই এমন অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়। ২ শতাধিক শ্রমিক মাথা ঘুরে ফ্লোরে পড়ে যায়, অনেকেই বমি করেন, অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে সবাইকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়। অনেককেই কারখানার ভেতরেও চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ড্রেসম্যান লিমিটেডের কারখানার এজিএম (প্রশাসন) আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, শ্রমিকেরা পানিতে ডুবে যাওয়া কলের পানি পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। কারখানার পানিতে কোনো সমস্যা আমরা পাইনি।’

কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাদিয়া তাসনিম মুনমুন জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় বহু শ্রমিককে হাসপাতালে আনা হয়েছে। হাসপাতালে জায়গা হচ্ছে না। একের পর এক রোগী আসছেন। আমরা যথাক্রমে তাদের চিকিৎসা দিচ্ছি।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘পানি পান করে কিছু শ্রমিক অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়ার পর সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অসুস্থ শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’ 

লৌহজংয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
লৌহজংয়ে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা
সংগৃহীত ছবি

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে সোহেল মুন্সী (৩৯) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলেও আগুন দেওয়া হয়। 

বুধবার গভীর রাতে উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের কালুরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সোহেল মুন্সী ওই গ্রামের মৃত ইসমাইল মুন্সীর ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোহেল মুন্সী ঘরে একাই ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে বাড়ির উঠানে শব্দ শুনে তার মা সেফালি বেগম ও স্ত্রী নুপুর বেগম বাইরে এসে উঠানে সোহেলর রক্তাক্ত মরদেহ ও মোটরসাইকেলে আগুন জ্বলতে দেখেন। এ সময় শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। খবর পেয়ে লৌহজং থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাকে ঘর থেকে ডেকে বা জোরপূর্বক বের করে এনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে ঘটনাটি আড়াল করার উদ্দেশে তার মোটরসাইকেলে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে।

হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

নেত্রকোনার মদনে হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে রাজিব মিয়া (২৪) নামের এক যুবক মারা গেছেন। রাজিব মিয়া জয়পাশা প্রামের সোনালি মিয়ার ছেলে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ভোরে উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের জয়পাশা গ্রামের সামনের হাওরে মারা যান তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাছ ধরার জন্য রাজিব বৃহস্পতিবার সকালে হাওরে বাইর (মাছ ধরার ফাঁদ) তুলতে যান। এ সময় বৃষ্টির মধ্যে বজ্রপাত হলে রাজিব হাওরেই মারা যান। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন তাকে বাড়ি নিয়ে আসে।

মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাদির হোসেন শামীম জানান, বজ্রপাতে রাজিব নামের এক যুবক মারা যাওয়ার খবর পেয়েছি। সরকারের পক্ষ থেকে নিয়ম অনুযায়ী নিহতের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে।