• ই-পেপার

পিরোজপুরে শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কুমিল্লা প্রতিনিধি
নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
ছবি : কালের কণ্ঠ

পেশাদারিত্ব, বস্তুনিষ্ঠতা এবং উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার প্রত্যয় নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুমিল্লার ঐতিহ্যবাহী নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে নাঙ্গলকোট উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে আলোচনা সভা, র‍্যালি, কেক কাটা এবং দোয়া-মোনাজাতের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি পালিত হয়।

নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি মুজিবুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক আহ্বায়ক ও দৈনিক শিরোনামের সম্পাদক নীতিশ সাহা।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এটিএন বাংলার প্রতিনিধি খাইরুল আহসান মানিক, মানবাধিকারকর্মী আলী আকবর মাসুম, আগামীর সময় প্রতিনিধি মীর শাহ আলম, দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার সাদিক মামুন, দৈনিক আমাদের সময় প্রতিনিধি সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ এবং বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রতিনিধি মহিউদ্দিন মোল্লা।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিক ও প্রেসক্লাব নেতারা বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন এখন টিভির ব্যুরো প্রধান খালিদ সাইফুল্লাহ, ডিবিসি টেলিভিশনের প্রতিনিধি নাসির উদ্দিন, কালের কণ্ঠের কুমিল্লা প্রতিনিধি জাহিদ পাটোয়ারী, নয়া দিগন্তের কুমিল্লা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান, এনটিভির প্রতিনিধি মাহফুজ নান্টুসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী।

বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পেশাগত সংহতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাংবাদিকতা কেবল একটি পেশা নয়, এটি দায়িত্ববোধ, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি সামাজিক অঙ্গীকার।

তারা আরো বলেন, পেশাগত নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাংবাদিকদের একসঙ্গে কাজ করার বিকল্প নেই। নাঙ্গলকোট প্রেসক্লাবের এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও পেশাগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে।

আলোচনা সভা শেষে অতিথিরা প্রেসক্লাবের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটেন। পরে প্রেসক্লাবের প্রয়াত সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
‘দ্বিতীয় যমুনা সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি
ছবি : কালের কণ্ঠ

যমুনা নদীর ওপর গাইবান্ধার ফুলছড়ি এবং জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে চরাঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের গণসই সংবলিত এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

স্মারকলিপি পেশকালে কমিটির নেতারা উত্তরবঙ্গের কোটি মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে তিনটি সুনির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো যমুনা নদীর দুই চ্যানেলে দুটি পৃথক সেতু (বেগম খালেদা জিয়া সেতু ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেতু) নির্মাণ এবং মাঝখানের স্থায়ী চরে ২০ ফুট উঁচুতে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন স্থাপন। চরের উর্বর মাটিতে উৎপাদিত মরিচ, পেঁয়াজ, ভুট্টা, আলুসহ বিভিন্ন রবি শস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং স্থানীয় বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি সর্বাধুনিক ‘কৃষিভিত্তিক ইপিজেড’ গড়ে তোলা। যমুনার বিশাল চরাঞ্চল ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত ‘চর ট্যুরিজম’ বা আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা।

স্মারকলিপি দেওয়া শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে একটি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্মারকলিপি পেশ ও গণদাবি আদায়ের সমাবেশে নেতৃত্ব দেন এবং বক্তব্য রাখেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুন নবী টিটুল এবং সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বাবু।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সাঘাটার ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মন্ডল, ফুলছড়ি গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা শাহিন, আশরাফুল ইসলাম টিটু, মশিউর রহমান, সাদেকুল ইসলাম মনির, মাজেদুর রহমান মাজু ও জাহাঙ্গীর আলম।

সমাবেশে নেতারা বলেন, ব্রিটিশ আমলের এই ঐতিহাসিক যোগাযোগ রুটটি পুনরায় পুরোদমে চালু করা এখন সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানী ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটের যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে। একই সঙ্গে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ অনেকটাই হ্রাস পাবে।

চাঁদাবাজির ঘটনায় উদ্বেগ

জাহাজভাঙা শিল্প মালিকদের নিরাপত্তা চেয়ে বিএসবিআরএর আবেদন

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
জাহাজভাঙা শিল্প মালিকদের নিরাপত্তা চেয়ে বিএসবিআরএর আবেদন
সংগৃহীত ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে এক শিপব্রেকিং ইয়ার্ড মালিকের গাড়ির গতিরোধ করে চাঁদা দাবি ও কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স অ্যান্ড শিপ রি-সাইক্লার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)। এ ঘটনায় জাহাজভাঙা শিল্পের মালিকদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছে সংগঠনটি।

সোমবার (১৫ জুন) বিএসবিআরএর ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. নাজমুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ওই আবেদনপত্র পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হয়।

আবেদনে বলা হয়, বিএসবিআরএর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিল্প ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি সংগঠনের সদস্য প্রতিষ্ঠান বিওবি রিসাইক্লার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম নুরুন নবী মানিক সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের হামলার শিকার হয়েছেন, যা ব্যবসায়িক পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক।

বিএসবিআরএর দাবি, এ ধরনের প্রকাশ্য চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনা শিল্প খাতের জন্য হুমকি এবং ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তাই ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনের তথ্যমতে, গত শনিবার সন্ধ্যায় সোনাইছড়ি সাগরপাড় এলাকায় অবস্থিত বিওবি রিসাইক্লার্স শিপইয়ার্ড থেকে ব্যক্তিগত গাড়িতে ফেরার পথে খোঁজারপাড়া এলাকায় এস এম নুরুন নবীর গাড়ির গতিরোধ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে ৭-৮ জনের একটি দল তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

এ সময় বিষয়টি দেখতে এগিয়ে এলে বিওবি রিসাইক্লার্স শিপইয়ার্ডের পাবলিক রিলেশনস অফিসার মো. আলমগীর হোসেন, পরিচালক নাজমুল হুদা, ভূমি কর্মকর্তা অহিদুর রহমান এবং ইয়ার্ড ম্যানেজার সাহাবউদ্দিনের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর ওই রাতেই মো. আলমগীর হোসেন বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় জাহাঙ্গীর আলমসহ অজ্ঞাতনামা ৬-৭ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি সীতাকুণ্ডের মধ্য সোনাইছড়ি বক্তারপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সামাজিক বনায়নের

১৫ বছর ধরে পরিচর্যা করা গাছ কাটার অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
১৫ বছর ধরে পরিচর্যা করা গাছ কাটার অভিযোগ, তদন্তে প্রশাসন
সংগৃহীত ছবি

জয়পুরহাটের কালাই পৌর এলাকায় সামাজিক বনায়নের আওতায় লাগানো আটটি পরিণত ইউক্যালিপটাস গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে এক চাতাল ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে কর্তনকৃত গাছের অবশিষ্টাংশ জব্দ করে এবং অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে নিয়ে যায়।

সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে কালাই পৌরসভার মূলগ্রাম-হাটশেখা সড়কের পাশে এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৪-১৫ বছর আগে বন বিভাগের সহযোগিতায় রূপায়ণ কৃষক সমবায় সমিতির সুফলভোগীরা সামাজিক বনায়নের আওতায় রাস্তার দুই পাশে ইউক্যালিপটাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করেন। দীর্ঘদিন পরিচর্যার পর গাছগুলো বর্তমানে বিক্রয়যোগ্য অবস্থায় পৌঁছেছে।

অভিযোগ রয়েছে, কালাই পৌরশহরের মূলগ্রাম-হাটশেখা সড়কের পাশে নিজের বাড়ি ও অটোরাইস মিল সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার ধারে থাকা আটটি ইউক্যালিপটাস গাছ সোমবার সকালে কেটে ফেলেন চাতাল ব্যবসায়ী শামসুল ইসলাম। গাছ কাটার পর দ্রুত ট্রাকে করে অধিকাংশ কাঠ সরিয়ে নেওয়া হয়। পরে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা গাছের গুঁড়ি দেখে স্থানীয়রা প্রশাসনকে বিষয়টি জানান।

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহবুব ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবশিষ্ট গাছের গুঁড়ি জব্দ করেন। অভিযুক্ত শামসুল ইসলামকে না পেয়ে তাঁর ছেলে গোলাম রব্বানীকে কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয়দের দাবি, কর্তনকৃত গাছগুলোর মূল্য এক লাখ টাকারও বেশি।

রূপায়ণ কৃষক সমবায় সমিতির সভাপতি রেজাউল ইসলাম বলেন, গাছগুলো সমিতির সুফলভোগীদের। প্রায় ১৫ বছর ধরে পরিচর্যা করার পর বিক্রির উপযোগী হয়েছে। অথচ একতরফাভাবে গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে অভিযুক্তের ছেলে গোলাম রব্বানী দাবি করেন, জমি ও গাছ উভয়ই তাদের মালিকানাধীন। এ কারণেই তারা গাছ কেটেছেন। মালিকানার পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রশাসনের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালাই বনবিভাগের বন প্রহরী ইয়াসির আরাফাত বলেন, সামাজিক বনায়নের গাছের দৈনন্দিন তদারকি বন বিভাগের দায়িত্ব নয়। তবে বিষয়টি জানার পর উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মাহবুব জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছের অবশিষ্টাংশ জব্দ করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গাছ সরানো বা নতুন করে কোনো গাছ কাটার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।