• ই-পেপার

বেনাপোল স্থলবন্দর

চলছে শ্রমিকদের কর্মবিরতি, পণ্য ওঠানো-নামানো বন্ধ

ছাতকে বিপুল ভারতীয় নিষিদ্ধ বিড়ি উদ্ধার

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
ছাতকে বিপুল ভারতীয় নিষিদ্ধ বিড়ি উদ্ধার
সংগৃহীত ছবি

সুনামগঞ্জের ছাতকে অভিযান চালিয়ে এক লাখ ২৬ হাজার শলাকা আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ‘শেখ নাসিরুদ্দিন’ ব্র্যান্ডের বিড়ি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পলাতক দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৪ জুন) ছাতক থানার এসআই মো. সাদেক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে থানার বিভিন্ন এলাকায় ওয়ারেন্ট তামিল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছিলেন। অভিযানের এক পর্যায়ে ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের আছাদনগর বেতুরা মাদরাসা সংলগ্ন খেয়াঘাট এলাকায় দুই ব্যক্তিকে একটি নৌকা থেকে কয়েকটি কার্টন নামাতে দেখেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই দুই ব্যক্তি দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এসআই মো. সাদেক সঙ্গীয় ফোর্সসহ তাদের ধাওয়া করেন। তবে স্থানীয় এলাকার ভেতর দিয়ে দক্ষিণ দিকে পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি।

পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে পলাতক ব্যক্তিদের ফেলে যাওয়া মোট ছয়টি কার্টন তল্লাশি করে ১ লাখ ২৬ হাজার শলাকা আমদানি নিষিদ্ধ ভারতীয় ‘শেখ নাসিরুদ্দিন’ বিড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার বিড়ির আনুমানিক বাজারমূল্য ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় পলাতক দুই আসামির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বোচাগঞ্জে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে

বোচাগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
বোচাগঞ্জে ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগ সাবেক স্ত্রীর বিরুদ্ধে
ছবি : কালের কণ্ঠ

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে ডিএন অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী মোস্তাফিজুর রহমানকে পায়ের রগ কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার সাবেক স্ত্রী শিল্পীর বিরুদ্ধে। রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ পৌর এলাকার রামদাস পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় মোস্তাফিজুর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। নিহত সেতাবগঞ্জ পৌরসভার মৃত ডা. নিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে সহকারী পুলিশ সুপার (কাহারোল সার্কেল) মো. মনিরুজ্জামান ও বোচাগঞ্জ থানার ওসি মো. মিজানুর রহমান।

দিনাজপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (কাহারোল সার্কেল) মো. মনিরুজ্জামান জানান, ডি এন অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী মোস্তাফিজুর রহমান রবিবার দুপুরে আহত হন। প্রথমে তাকে বোচাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করা হলে আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি আরো জানান, আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। তার পূর্বের স্ত্রীর সঙ্গে বিরোধ ছিল এবং বনিবনা ছিল না বলে জানতে পেয়েছি। এছাড়া তিনি এখানে যাতায়াত করতেন। আমরা প্রাথমিকভাবে কোতোয়ালি থানার মাধ্যমে মোস্তাফিজুরের সাবেক স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছি। এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে।

মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

ফেনী প্রতিনিধি
মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

ঢাকার আশুলিয়ায় মোবাইল ফোন বিস্ফোরণে আহত মিজানুর রহমান ঢাকার বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এর আগে শনিবার (১৩ জুন) গভীর রাতে মোবাইল ফোন চার্জে লাগানো অবস্থায় চালানোর সময় আশুলিয়ার রশিদ মার্কেট সংলগ্ন এলাকার আলীমের ভাড়া বাড়িতে এ বিস্ফোরণ ঘটে।

মিজানুর রহমানের বাড়ি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নে। তিনি আলীমের বাসায় ভাড়া থেকে আশুলিয়ার সোনিয়া মার্কেট এলাকায় স্টক লটের ব্যবসা করেন।

স্থানীয়রা জানায়, মোবাইল বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন মিজান। এ সময় বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করছিলেন। পরে ছুটে গিয়ে তার রুমের বারান্দার তালা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে যেসব আসবাবপত্র ছিল তা বিস্ফোরণে পুড়ে যায় এবং মোবাইলের পোড়া কিছু অংশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ওই ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

মাদারীপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
ছবি : কালের কণ্ঠ

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের সময় শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এ ছাড়া অন্তত ১২টি বসতঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার (১৫ জুন) সকালে সদর উপজেলার ঝিকরহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে ঝিকরহাটি গ্রামের বন্দে আলী মোল্লার ছেলে নুরুজ্জামান মোল্লা (৩৫), একই গ্রামের মোতালেব ফকিরের ছেলে মাসুদ ফকির (৩৫), আব্দুল মজিদ খানের ছেলে হানিফ খান (৪৫) ও সিদ্দিক হাওলাদারের ছেলে কামরুল হাওলাদারের (২৫) নাম জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, সোমবার ভোর ৬টা থেকে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে একের পর এক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম ভীতি ছড়িয়ে পড়ে। পরে সকাল ৮টার দিকে খান বংশ ও মোল্লা বংশের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অন্তত ১৪ জন আহত হন। আহতদের মাদারীপুর বিভিন্ন হাসপাতালে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সংঘর্ষের সময় ১৩টি ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে বলে ক্ষতিগ্রস্তরা অভিযোগ করেছেন। পরে খবর পেয়ে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

মাদারীপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিয়া রফিক ভাবনা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।