• ই-পেপার

পিরোজপুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে কলেজছাত্রী নিহত

শিশুদের খেলা নিয়ে দুই পরিবারের সংঘর্ষ, নিহত ১

কেন্দুয়া(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি
শিশুদের খেলা নিয়ে দুই পরিবারের সংঘর্ষ, নিহত ১
ছবি: কালের কণ্ঠ

নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় শিশুদের খেলা নিয়ে দুই পরিবারের বিরোধের জেরে সংঘর্ষে জামাল মিয়া (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া থানার পুলিশ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মেহেদী মাকসুদ।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে উপজেলার গণ্ডা ইউনিয়নের গণ্ডা পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জামাল মিয়া ওই গ্রামের মৃত মনোয়ার মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খেলনা গাড়ি নিয়ে খেলার সময় জামাল মিয়া ও সুজন মিয়ার পরিবারের দুই শিশুর মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে উভয় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন জামাল মিয়া।

পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পাশের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় সুজন মিয়ার স্ত্রী অজু আক্তারকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।

গণ্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম আকন্দ কল্যাণ বলেন, শিশুদের খেলা নিয়ে শুরু হওয়া বিরোধের জেরে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে জামাল মিয়ার মৃত্যু হয়েছে।

কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী মাকসুদ বলেন, সংঘর্ষে আহত জামাল মিয়াকে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, স্থানীয়দের সহায়তায় অজু আক্তারকে আটক করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত সুজন মিয়া পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

লিচু সংরক্ষণে হিমাগার স্থাপনের আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পাবনা
লিচু সংরক্ষণে হিমাগার স্থাপনের আশ্বাস বাণিজ্যমন্ত্রীর
ছবি: কালের কণ্ঠ

পাবনার ঈশ্বরদীতে লিচু চাষিদের পাশে দাঁড়াতে এবং লিচু সংরক্ষণে হিমাগার স্থাপনসহ উন্নত প্রযুক্তি ও বীজ উদ্ভাবনে কৃষি ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আশ্বাস দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে ঈশ্বরদীতে আয়োজিত লিচু উৎসব ও কৃষি বাণিজ্য মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী স্থানীয় লিচু চাষিদের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, তারা একেবারেই মাটির মানুষ। মাটির গন্ধ তাদের গায়ে লেগে আছে। জীবন থেকেই তারা এই অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও উন্নত জাত উদ্ভাবনের পেছনে চাষিদের নিজস্ব মেধা, বুদ্ধি ও অভিজ্ঞতা কাজ করেছে। জার্মিনেশন বিষয়ে তাদের যে বাস্তব জ্ঞান ও গভীরতা রয়েছে, তা অনেক সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যেও দেখা যায় না।

সাম্প্রতিক সময়ে চাষিদের নানা সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, হঠাৎ তীব্র তাপপ্রবাহ এবং কীটনাশকের কার্যকারিতা বা বিশুদ্ধতায় ঘাটতির কারণে এবার অনেক লিচু নষ্ট হয়ে গেছে। এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে গবেষণার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। একই সঙ্গে লিচুর সুরক্ষায় উন্নত জাত বা উপযোগী বীজ উদ্ভাবনের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

আরো পড়ুন

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় রাঙমাটি মাতাল ব্রাজিল সমর্থকরা

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় রাঙমাটি মাতাল ব্রাজিল সমর্থকরা

 

লিচু চাষিদের দীর্ঘদিনের দাবি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের বিষয়ে খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির বলেন, চাষিদের অন্যতম বড় দাবি হলো কোল্ড স্টোরেজ, যাতে লিচু সংরক্ষণ করে বছরের পরবর্তী সময়েও ব্যবহার করা যায়। বিষয়টি নিয়ে আমরা কৃষি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করব এবং সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করব। পাশাপাশি লিচু সংরক্ষণে কোল্ড স্টোরেজ বা অন্য কোনো কার্যকর পদ্ধতি গ্রহণ করা যায় কি না, সে বিষয়েও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করা হবে।

এ সময় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব, ঈশ্বরদী কৃষক সোসাইটির সভাপতি ময়েজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক কিতাব মণ্ডলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিপুলসংখ্যক লিচু চাষি উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বকাপের উন্মাদনায় রাঙমাটি মাতাল ব্রাজিল সমর্থকরা

রাঙামাটি সংবাদদাতা
বিশ্বকাপের উন্মাদনায় রাঙমাটি মাতাল ব্রাজিল সমর্থকরা
ছবি: কালের কণ্ঠ

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ব্রাজিল সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে উঠেছে রাঙ্গামাটি। আজ শুক্রবার বিকেলে শহরে ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি রাঙামাটির প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়। এ সময় ৫ শতাধিক সমর্থক ব্রাজিলের হলুদ-সবুজ জার্সি পরিধান করে এবং হাতে ব্রাজিলের জাতীয় পতাকা নিয়ে অংশ নেন।

শোভাযাত্রাজুড়ে সমর্থকদের কণ্ঠে ধ্বনিত হয় ব্রাজিল দলের পক্ষে নানা স্লোগান। প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে তারা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের সাফল্য কামনা করেন।

ব্রাজিল সমর্থক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিল দলের খেলা দেখে বড় হয়েছি। বিশ্বকাপ এলেই আমাদের আবেগ আরও বেড়ে যায়। আমরা চাই এবার ব্রাজিল দারুণ পারফরম্যান্স করে শিরোপা জিতুক।’

00

আরেক সমর্থক রুবেল হোসেন বলেন, ‘ব্রাজিল শুধু একটি দল নয়, এটি আমাদের ভালোবাসার নাম। দলের প্রতি সমর্থন জানাতেই আমরা এই শোভাযাত্রার আয়োজন করেছি। বিশ্বকাপজুড়ে আমরা ব্রাজিলের পাশে থাকব।’

অংশগ্রহণকারীরা জানান, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি আবেগ ও ভালোবাসার নাম। বিশ্বকাপকে ঘিরে সেই আবেগকে উদযাপন করতেই তাদের এই আয়োজন। তারা আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন বিশ্বকাপে ব্রাজিল শিরোপা জিতে কোটি সমর্থকের প্রত্যাশা পূরণ করবে।

শোভাযাত্রার কারণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পথচারী ও সাধারণ মানুষও ব্রাজিল সমর্থকদের এ প্রাণবন্ত আয়োজনে আগ্রহ নিয়ে অংশ নেন এবং উপভোগ করেন।

বিশ্বকাপের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই রাঙমাটিতে ফুটবলপ্রেমীদের উন্মাদনা বাড়ছে। তারই অংশ হিসেবে ব্রাজিল সমর্থকদের এই বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে উৎসাহ ও উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে।

 

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধার

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বৃদ্ধার
প্রতীকী ছবি

যশোরের অভয়নগরে মাছের ঘেরের পাড়ে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শাহারা বেগম নামে এক বৃদ্ধা নারীর মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকালে উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পাথালিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহারা বেগম (৬০) পাথালিয়া গ্রামের মোহাম্মদ মাহামুদের স্ত্রী।

নিহতের ছোট ভাই বাকি বিল্লাহ জানান, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তার বোন শাহারা বেগম বাড়ির পাশে নিজ মাছের ঘেরে যান। এ সময় ঘেরের পাড়ে পড়ে থাকা বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। প্রায় এক ঘন্টা পর ঘটনাস্থল থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত বৃদ্ধার মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনাটি অপমৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’