• ই-পেপার

কুমিল্লায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন

ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদ-এ তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু

অনলাইন ডেস্ক
ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদ-এ তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু

গ্রাহকদের জন্য আরো সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ ডিজিটাল লেনদেন সুবিধা নিশ্চিত করতে ওয়ান ব্যাংক পিএলসি-এর অ্যাপ থেকে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদে টাকা আনার সেবা চালু হয়েছে। এর ফলে গ্রাহকদের লেনদেন স্বাধীনতা যেমন নিশ্চিত হবে, একই সঙ্গে দেশের ক্যাশলেস লেনদেনের অগ্রযাত্রায় এটি একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানীর গুলশানে ওয়ান ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ বিষয়ক একটি অনুষ্ঠানে সেবাটি চালু করা হয়। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক নিযুক্ত নগদের প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ এবং ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান।

অনুষ্ঠানে নগদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার মোহাম্মদ শাহীন সারওয়ার ভূঁইয়া, হেড অব বিজনেস সেলস মো. সাইদুর রহমান দীপু প্রমুখ। এ ছাড়া ওয়ান ব্যাংকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকটির অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও হেড অব বিজনেস শাব্বির আহমেদ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জিয়াউল ইসলাম, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইফতেখার আহমেদ জাফরসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠানে নগদ প্রশাসক মো. মোতাছিম বিল্লাহ বলেন, বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবার বিস্তারে ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবার মধ্যে আন্তঃসংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ান ব্যাংকের সঙ্গে এই অংশীদারিত্বের ফলে গ্রাহকেরা আরো সহজে ডিজিটাল লেনদেন করতে পারবেন। একই সঙ্গে দেশের ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণেও এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ওয়ান ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহিত রহমান বলেন, ওয়ান ব্যাংকের তরফ থেকে আমরা সব সময় ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গ্রহণ করার দিকে বিশেষ আগ্রহী, যাতে গ্রাহকের জন্যে স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা যায়। নগদের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব আমাদের গ্রাহকদের নিরাপত্তার সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে লেনদেন করতে সহায়তা করবে, যা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্যাশলেস অর্থনীতি এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যকে গতিশীল করবে।

রাজশাহীর মৌসুম এখন এক ভ্রমণ-গন্তব্য

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
রাজশাহীর মৌসুম এখন এক ভ্রমণ-গন্তব্য

ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ফোটেনি। কুয়াশায় মোড়া রাজশাহীর আমবাগানে শিশিরভেজা পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে সূর্য। গাছের ডালে দুলছে পাকা আম, আর তার নিচে দাঁড়িয়ে একদল তরুণ-তরুণী। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও করছেন, কেউবা শুধু চোখ ভরে দেখছেন এই অপরূপ দৃশ্য। এরা কেউ স্থানীয় নন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে ছুটে এসেছেন শুধু একটাই টানে, আম।

রাজশাহী মানেই আম, এ কথা নতুন নয়। কিন্তু গত কয়েক বছরে এই পরিচয়ে যুক্ত হয়েছে নতুন এক মাত্রা। আমের মৌসুম এখন আর শুধু চাষি আর ব্যবসায়ীর ব্যস্ততা নয়। এটি হয়ে উঠেছে এক জীবন্ত উৎসব, এক ভ্রমণ-গন্তব্য। যাকে অনেকেই বলছেন "ম্যাঙ্গো ট্যুরিজম"।
আর এই উৎসবের প্রাণকেন্দ্র বানেশ্বরের আমের হাট। রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত এই হাট দেশের অন্যতম বৃহৎ ও প্রাচীন আমের বাজার। যার ইতিহাস বহু দশকের পুরোনো। 

প্রতিদিন ভোর হওয়ার আগেই এখানে জেগে ওঠে এক জীবন্ত জগৎ। মৌসুমের সময় হাটে ঢুকলে চোখে পড়ে অবিশ্বাস্য ব্যস্ততা, ভ্যান, ট্রাক আর ভটভটিতে বোঝাই হয়ে আসছে ঝুড়ি ঝুড়ি আম। ওজনের পাল্লা দুলছে অবিরাম, হাঁকডাকে মুখর গোটা এলাকা। কোথাও চলছে তুমুল দরদাম, কোথাও কাঁধে বোঝা নিয়ে ছুটছেন শ্রমিকেরা, কোথাও আবার প্যাকেট হয়ে আম উঠছে দূরের জেলার উদ্দেশে। এই একটি হাটকে ঘিরেই প্রতি মৌসুমে কোটি কোটি টাকার লেনদেন, আর হাজারো পরিবারের জীবিকা। 

বানেশ্বরের ঐতিহ্যবাহী এই হাট, সারি সারি আমবাগান, গাছ থেকে সরাসরি আম পাড়ার অভিজ্ঞতা, এসবই এখন পর্যটকদের কাছে বড় আকর্ষণ। কেউ আসেন পরিবার নিয়ে একদিনের জন্য, কেউ থাকেন কয়েক দিন। বাগানের মালিকেরাও এখন অতিথিদের স্বাগত জানাতে শিখছেন, কেউ কেউ গড়ে তুলেছেন ছোট ছোট থাকার ব্যবস্থা, বাগানে বসে আম খাওয়ার আয়োজন।

আর এই পুরো অভিজ্ঞতাটা শুধু রাজশাহীতেই থেমে থাকছে না। একজন তরুণী বাগানে দাঁড়িয়ে রিল বানাচ্ছেন, কয়েক সেকেন্ডে তা পৌঁছে যাচ্ছে হাজারো মানুষের কাছে। কমেন্টে ভিড় করছে একটাই প্রশ্ন, 'এই জায়গাটা কোথায়? আমিও যেতে চাই!' একটা আমকে ঘিরে গড়ে ওঠা এই গল্প এখন ছড়িয়ে পড়ছে গোটা দেশে, সংযোগের পথ ধরে, হাতের মুঠোয় থাকা ফোনের মাধ্যমে। যে নেটওয়ার্ক এই গল্পগুলোকে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে পৌঁছে দিচ্ছে, তার পেছনে নীরবে কাজ করছে গ্রামীণফোনের মতো সঙ্গীরা।

এই বদলে যাওয়া দৃশ্যের সবচেয়ে সুন্দর দিকটি হলো এতে উপকৃত হচ্ছেন সবাই। চাষি পাচ্ছেন ন্যায্য দাম, তরুণ উদ্যোক্তা পাচ্ছেন নতুন বাজার, স্থানীয় অর্থনীতি পাচ্ছে নতুন প্রাণ, আর পর্যটক পাচ্ছেন এক দারুণ অভিজ্ঞতা। একটা সাধারণ ফল কীভাবে গড়ে তুলতে পারে একটা গোটা জগৎ, রাজশাহীর এই মৌসুম তারই জীবন্ত উদাহরণ।

তাই এবার গ্রীষ্মে, যদি নতুন কিছু খুঁজে থাকেন তাহলে ব্যাগ গুছিয়ে রওনা দিন রাজশাহীর পথে। কারণ এখানে শুধু আম নয়, অপেক্ষা করছে একটা পুরো গল্প। আম থেকেই হোক আপনার পরের আমেজিং অভিজ্ঞতা।

সোনালী ব্যাংকে হুইসেলব্লোয়ার দিবস উপলক্ষে সেমিনার

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সোনালী ব্যাংকে হুইসেলব্লোয়ার দিবস উপলক্ষে সেমিনার
সংগৃহীত ছবি

সোনালী ব্যাংক পিএলসির উদ্যোগে ‘প্রতিষ্ঠানে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় হুইসেলব্লোয়িংয়ের কৌশলগত ভূমিকা : প্রেক্ষিত সোনালী ব্যাংক পিএলসি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিশ্ব হুইসেল ব্লোয়ার দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। 

সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন ব্যাংকের ন্যায়পাল সচিবালয়ের ন্যায়পাল মোহাম্মদ মাসরুরুল ইসলাম। ব্যাংকের এমডি এবং সিইও মো. শওকত আলী খানের সভাপতিত্বে সেমিনারে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন ব্যাংকের পরিচালক মোল্লা আব্দুল ওয়াদুদ, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম ও মো. মোফাজ্জল হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের উপসচিব আফরোজা আক্তার রিবা।

সেমিনারে অন্যদের মধ্যে ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টরবৃন্দ, জেনারেল ম্যানেজারবৃন্দ, বিভিন্ন নির্বাহী ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

বাংলাদেশে শীর্ষ

বিশ্বের সেরা ১০০ টেকসই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

বিশ্বের সেরা ১০০ টেকসই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক প্রভাব সৃষ্টি এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্বে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিংস ২০২৬-এ বিশ্বের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে স্থান অর্জন করেছে। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রকাশিত এই মর্যাদাপূর্ণ রেটিংসে বিশ্বের ১,৬০৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ডিআইইউ ৮৭তম স্থান অর্জন করেছে।

একই সঙ্গে বাংলাদেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে দেশের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এই অর্জন শুধু ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জন্য নয়, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়া জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে অবদানের ভিত্তিতে মূল্যায়িত এসডিজি ১৭: পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস  সূচকে ডিআইইউ বিশ্বে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে, যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, জ্ঞান বিনিময় এবং বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টির অসামান্য সাফল্যের স্বীকৃতি।
এ বছরের রেটিংয়ে ডিআইইউ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এসডিজি সূচকে উল্লেখযোগ্য অবস্থান অর্জন করেছে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • বিশ্বে ৪র্থ — এসডিজি ১৭: পার্টনারশিপস ফর দ্য গোলস
  • বিশ্বে ১২তম — এসডিজি ৪: কোয়ালিটি এডুকেশন
  • বিশ্বে ৪৮তম — এসডিজি ৮: ডিসেন্ট ওয়ার্ক অ্যান্ড ইকোনমিক গ্রোথ
  • বিশ্বে ৬৮তম — এসডিজি ১০: রিডিউসড ইনইকুয়ালিটিজ

এই অর্জন জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতি, গবেষণা, উদ্ভাবন, শিক্ষা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি বিশ্ববিদ্যালয়টিকে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সাসটেইনেবিলিটি-কেন্দ্রিক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও সুদৃঢ় অবস্থানে নিয়ে গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই অর্জনের জন্য শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই এবং দেশি-বিদেশি অংশীদার প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, গবেষণা কার্যক্রম, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা, শিল্পখাতের সহযোগিতা এবং নীতিগত অবদান ডিআইইউর এই বৈশ্বিক সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ভবিষ্যতেও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক এবং টেকসই সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে দায়িত্বশীল বৈশ্বিক নাগরিক তৈরি এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।