• ই-পেপার

তথ্য চুরির অভিযোগে রাবি হল ভিপির আবাসিকতা বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত

ঢাবি ক্লাবের নেতৃত্বে অধ্যাপক সেলিম রেজা-মহিউদ্দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাবি ক্লাবের নেতৃত্বে অধ্যাপক সেলিম রেজা-মহিউদ্দিন
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নতুন কার্যকর পরিষদ গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ঔষধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সেলিম রেজা এবং সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) অধ্যাপক ড. মো. মহিউদ্দিন।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাতে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম এই নতুন কমিটি ঘোষণা করেন।

ঘোষিত কমিটিতে সহসভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন দুজন—ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার এবং ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এফ এম মোস্তাফিজুর রহমান। এ ছাড়া মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসাইন কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন।

কমিটির যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাহমিনা খানম।

কার্যকর পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরা হলেন তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মিজবাহ-উদ-ইসলাম, স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. নাসরিন সুলতানা, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ শাইখ ইমতিয়াজ, একাউন্টিং বিভাগের অধ্যাপক আল আমিন, গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসরাফিল প্রাং, আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহা. রফিকুল ইসলাম এবং রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর আলম সিদ্দিকী।

কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে কমিটিতে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব পরিচালক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। এ ছাড়া পদাধিকার বলে সদস্য হিসেবে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. কামরুল হাসান।

কমিটি ঘোষণার পর নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ ক্লাবের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনায় সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল ও কার্যকর করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তারা।

রাজনীতি নিষিদ্ধের পরও বেরোবিতে ছাত্রশিবিরের নতুন কমিটি

বেরোবি প্রতিনিধি
রাজনীতি নিষিদ্ধের পরও বেরোবিতে ছাত্রশিবিরের নতুন কমিটি
আব্দুর রাকিব মুরাদ ও ইমরান খান। ছবি : সংগৃহীত

লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকার মধ্যেই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুর রাকিব মুরাদ এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গণিত বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমরান খান নির্বাচিত হয়েছেন।

গত ২৮ জুন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা ও রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক কেন্দ্রীয় ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিলের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সভাপতির সই করা ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত আব্দুর রাকিব মুরাদকে শাখা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় সভাপতির প্রতিনিধি হিসেবে সাংবিধানিক শপথ পাঠ করান সিবগাতুল্লাহ সিবগা। পরে সদস্যদের পরামর্শের ভিত্তিতে ইমরান খানকে সেক্রেটারি হিসেবে মনোনয়ন দেন নবনির্বাচিত সভাপতি আব্দুর রাকিব মুরাদ।

এদিকে জুলাই আন্দোলনের পর সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ২৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৮তম সিন্ডিকেট সভায় সব ধরনের লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে এ সিদ্ধান্তের পরও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের (ছাত্রশিবির, ছাত্রদল) সাংগঠনিক কার্যক্রম চলমান থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করছে বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীদের একাংশ।

সাবেক সমন্বয়ক আশিকুর রহমান আশিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকলেও বাস্তবে এ ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চলমান রয়েছে। এ পরিস্থিতির দায় এড়ানোর সুযোগ প্রশাসনের নেই। কারণ, আইন প্রণয়ন করাই যথেষ্ট নয়, তার কার্যকর ও নিরপেক্ষ বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেই আইন দৃশ্যমানভাবে প্রয়োগ করা হয়নি। 

আশিক বলেন, প্রশাসন যদি শুরু থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নীতিমালা কঠোর ও সমানভাবে বাস্তবায়ন করত, তাহলে এভাবে আইন অমান্যের পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ হওয়াই কাম্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার পরও কমিটি ঘোষণার বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা সভাপতি আব্দুর রাকিব মুরাদ বলেন, ছাত্রশিবির একটি গতিশীল ও আদর্শভিত্তিক সংগঠন। সাধারণত বছরের শুরুতেই সকল ইউনিটের সাংগঠনিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়েও সেটআপ হতে পারে। বেরোবিতে সিন্ডিকেট কর্তৃক লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ছাত্রশিবির লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি করে না, বরং শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে। 

মুরাদ আরো বলেন, নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠন এবং সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালের বাকি সময়ের জন্য বেরোবি শাখার সাংগঠনিক সেটআপ সম্পন্ন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান বলেন, আজ অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষ্যে ছাত্রউপদেষ্টা, সহকারী প্রক্টরসহ সংশ্লিষ্টদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সুপারিশ ও ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ২৭ নভেম্বর বেরোবি ছাত্রদলের ৯ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইয়ামিনকে সভাপতি এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. জহির রায়হানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। 

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি পরীক্ষার্থী কমলেও বেড়েছে কলেজের সংখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি পরীক্ষার্থী কমলেও বেড়েছে কলেজের সংখ্যা
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে। চলতি ২০২৬ সালে চট্টগ্রামের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় বসছে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন ছাত্রছাত্রী। যা গত বছরের তুলনায় ৩ হাজার ২৮৭ জন কম। গতবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৯৭৫ জন। এবার শিক্ষার্থী কমলেও অংশগ্রহণকারী কলেজের সংখ্যা বেশি। তবে কেন্দ্র কমেছে ১টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী মঙ্গলবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের জন্য ১৫টি সাধারণ ভিজিল্যান্স টিম এবং ৮টি বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হবে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে জানানো হয়, এই বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির মোট ২৮৩টি কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন। এরমধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১১ হাজার ২৫৫ জন ছাত্র ও ১২ হাজার ৬৪৮ জন ছাত্রীসহ মোট পরীক্ষার্থী ২৩ হাজার ৯০৩ জন; মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ২৩৮ জন (ছাত্র ১৬ হাজার ৩৪২ জন ও ২৭ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী); ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৫ হাজার ৫৮৫ জন ছাত্র এবং ১৫ হাজার ৯৫৪ জন ছাত্রীসহ মোট ৩১ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী; গাহর্স্থ্য বিভাগে ৮ জন ছাত্রী।

এদিকে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৭৪ জন; কক্সবাজার ১২ হাজার ২৫৫; রাঙামাটি জেলায় ৫ হাজার ৪৩৯; খাগড়াছড়িতে সাত হাজার ৩৫৩ জন; বান্দরবান জেলায় তিন হাজার ৬৬৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১১৪টি কেন্দ্রে। গতবার কেন্দ্র ছিল ১১৫টি। ২০২৫ সালে ২৭৭টি কলেজ থেকে পরীক্ষার্থী থাকলেও এবার ৬টি বেড়ে কলেজ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৩টিতে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে যত আয়োজন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে যত আয়োজন
সংগৃহীত ছবি

দিনব্যাপী নানা বর্ণাঢ্য কর্মসূচির মধ্য দিয়ে আগামীকাল ১ জুলাই বুধবার পালিত হবে ১০৬তম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’। উৎসবমুখর পরিবেশে দিবসটি উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। 

এ উপলক্ষ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, অভিভাবক এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর অগ্রযাত্রা এবং শিক্ষা ও গবেষণার আধুনিকায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

মঙ্গলবার উপাচার্যের সভাকক্ষে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে গঠিত বিভিন্ন উপ-কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্য-সচিবরা। সভায় দিবস উদযাপনের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়।

প্রাতঃকালে সমাবেশ ও শোভাযাত্রা

১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। দিবসটি উপলক্ষ্যে আগামীকাল সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল ও হোস্টেল থেকে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শোভাযাত্রা সহকারে স্মৃতি চিরন্তন চত্বরে সমবেত হবেন। সেখান থেকে সকাল পৌনে ১০টায় উপাচার্যের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসজুড়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে, যাতে অংশ নেবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাই, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। 

উদ্বোধনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

সকাল ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের সম্মুখস্থ চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হলসমূহের পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং কেক কাটা হবে। এ সময় সংগীত বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় জাতীয় সংগীত, বিশ্ববিদ্যালয়ের থিম সং এবং রবীন্দ্র ও নজরুল সংগীত পরিবেশিত হবে। পাশাপাশি বিদেশি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আরেকটি সংগীত পরিবেশনারও আয়োজন থাকছে।

সকাল সাড়ে ১০টায় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ প্রতিপাদ্যের ওপর একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে, যাতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন ইংরেজি বিভাগের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ এফ সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী। সভায় সভাপতিত্ব করবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে আগামীকাল সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ক্লাস বন্ধ থাকলেও পরীক্ষাসমূহ যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

এ দিকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে আগামীকাল বিকাল ৩টায় অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে একটি প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখবেন অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ এবং উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ।

নিয়ন্ত্রিত থাকবে যানবাহন প্রবেশ

নিরাপত্তার স্বার্থে আগামীকাল দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যানবাহন প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত থাকবে। এ সময় শাহবাগ, দোয়েল চত্বর, শিববাড়ি ক্রসিং, ফুলার রোড ও নীলক্ষেত প্রবেশপথে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত গাড়ি এবং জরুরি সেবা যেমন অ্যাম্বুলেন্স, চিকিৎসক, রোগী, সাংবাদিক, রাইড শেয়ার, খাবার সরবরাহ ও অনলাইন শপিং বাহনসহ অন্যান্য সরকারি যানবাহন ব্যতীত অন্য কোনো যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে না। তবে পলাশী থেকে দোয়েল চত্বর হয়ে হাইকোর্ট মোড়ের সড়ক উন্মুক্ত থাকবে, যদিও গণপরিবহন ও ভারী যানবাহন চলাচল সার্বক্ষণিকভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে।