• ই-পেপার

৩১ লাখ টাকা শিক্ষাবৃত্তি পাবেন কুবির ৪০২ শিক্ষার্থী

জবিতে ছাত্রশিবিরের ৩ দিনব্যাপী নবীনবরণ শুরু

জবি প্রতিনিধি
জবিতে ছাত্রশিবিরের ৩ দিনব্যাপী নবীনবরণ শুরু
ছবি : কালের কণ্ঠ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে তিন দিনব্যাপী নবীনবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। রবিবার (২৮ জুন) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে প্রথম দিনের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়।

আয়োজকরা জানান, প্রথম দিনে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ করা হয়। দ্বিতীয় দিনে ব্যবসায় শিক্ষা, চারুকলা ও ইনস্টিটিউট এবং তৃতীয় দিনে বিজ্ঞান ও লাইফ সায়েন্স অনুষদের শিক্ষার্থীদের নিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রকাশ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ পাওয়ার পর বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির শিক্ষার্থীদের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।’ তিনি দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের বিভিন্ন আন্দোলন, বিশেষ করে হল আন্দোলনে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা সামনের সারিতে ভূমিকা রেখেছেন এবং কারাবরণও করেছেন। সাম্প্রতিক জাকসু নির্বাচনের ফলাফল ছাত্রশিবিরের প্রতি শিক্ষার্থীদের গ্রহণযোগ্যতার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের বাবা-মা অনেক স্বপ্ন নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়েছেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে মেধা, মনন ও নৈতিকতার মাধ্যমে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আব্দুল আলিম আরিফের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও জাকসুর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহিম খলিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।

এ ছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন, রাশিয়ার ন্যাশনাল রিসার্চ ইউনিভার্সিটি হায়ার স্কুল অব ইকোনমিকসের ক্যান্ডিডেট অব সায়েন্স ড. মো. নূরুল হাসান, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. আসাদুজ্জামান সাদী এবং জাকসুর ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ‘ঝুপড়ি’র নতুন সভাপতি তানিয়া, সাধারণ সম্পাদক এরশাদ

অনলাইন ডেস্ক
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ‘ঝুপড়ি’র নতুন সভাপতি তানিয়া, সাধারণ সম্পাদক এরশাদ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ঝুপড়ি’র দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার চট্টগ্রাম নগরের ষোলশহরে সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের তানিয়া কালাম এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দর্শন বিভাগের মোহাম্মদ এরশাদ করিম।

এছাড়া সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন রাজীব বিশ্বাস (অর্থনীতি), অনিক বড়ুয়া (ফিন্যান্স), মো. ইদ্রিস (ইতিহাস), সাকিয়া সুলতানা (দর্শন), বেলায়েত হোসেন (অর্থনীতি), মো. সাইফুল আজম (ইংরেজি), মহুয়া মহাজন (ইতিহাস), মো. আলমগীর খান (সামাজিক বিজ্ঞান), মো. এনামুল হক (অর্থনীতি), মো. ইসমাইল (অর্থনীতি) ও জয়ীতা মজুমদার (একাউন্টিং)। এই কমিটি আগামী দুই বছর দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, তাজদার আলম, গোলাম রাব্বানী, ফারহানা কবির, হাসান উদ্দিন ও মোহাম্মদ ইলিয়াস। ভোটের এক ঘণ্টার মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হয়। কমিটির সমস্যরা নতুন কমিটিকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান।

অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নবনির্বাচিত সভাপতি তানিয়া কালাম বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাস যেমন আমাদের প্রাণ, তেমনি ঝুপড়িও হবে আমাদের প্রাণের ঝুপড়ি।’ নতুন কমিটির সদস্যরা যাতে সুস্থ ও ঐক্যবদ্ধ থাকে এবং ঝুপড়ির জন্য আরো ভালো ভালো কাজ করতে পারে সেজন্য সবার সহযোগিতা চান তিনি।

এরশাদ করিম বলেন, ‘সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বকে আমি কোনো পদ বা ক্ষমতার জায়গা থেকে দেখি না। আমি এটিকে দেখি একটি সেতুর দায়িত্ব হিসেবে- বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুর, ব্যাচের সঙ্গে ব্যাচের, প্রজন্মের সঙ্গে প্রজন্মের সংযোগ তৈরি করার দায়িত্ব। আমি চাই, ঝুপড়ির প্রতিটি সদস্য নিজেকে এই পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করুক; তার মতামত, উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ ক্লাবের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে মূল্য পায়।’

ঝুপড়ির এই নির্বাচন বা যেকোনো আয়োজনে সবচেয়ে বেশি যেটি চোখে পড়ে সেটি হল, এর উষ্ণতা, বন্ধুত্ব বা উৎসবের আমেজ। এবারেও তার ব্যতিক্রম ছিল না।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের আত্মিক বন্ধন, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আজীবন সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে গড়ে ওঠা সংগঠন ‘ঝুপড়ি’ ইতোমধ্যেই ব্যাচের সবার কাছে একটি আস্থার নাম হয়ে উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্মৃতি, বন্ধুত্ব এবং সম্মিলিত উদ্যোগকে ধরে রাখতে এই সংগঠন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

‘ঝুপড়ি’ ইতোমধ্যে বিভিন্ন পুনর্মিলনী, সামাজিক উদ্যোগ, অসহায় সদস্যদের পাশে দাঁড়ানো, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি প্রাণবন্ত কমিউনিটি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। ভবিষ্যতে সংগঠনটি আরো বড় পরিসরে মানবিক, সামাজিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবে—এমন প্রত্যাশাই সবার।

দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেইস তৈরি করলেন নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেইস তৈরি করলেন নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা
ছবি : কালের কণ্ঠ

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং (বিজিই) বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ঔষধি উদ্ভিদ ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেইস (Medicinal Plant Phytochemical Database) তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের প্রথম বায়োইনফরম্যাটিক্স প্রতিষ্ঠান Dawn of Bioinformatics (DOB)-এর তত্ত্বাবধানে নির্মিত এই ডেটাবেস গবেষণা ও ওষুধ আবিষ্কারের ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

এই গবেষণা উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন নোবিপ্রবির বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৬–১৭ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী এস. কে. ফয়সাল আহমেদ। তিনি দেশের প্রথম বায়োইনফরম্যাটিক্স প্রতিষ্ঠান Dawn of Bioinformatics (DOB)-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Founder & CEO)। তার নেতৃত্বে প্রায় দুই বছরের নিরলস প্রচেষ্টায় তৈরি হয়েছে Bangladesh Medicinal Plants and Phytochemicals Database (BMPPD)।

ডেটাবেসটিতে বাংলাদেশের ৭০০-এরও বেশি ঔষধি উদ্ভিদ প্রজাতির প্রায় ৬৩ হাজার অনন্য (Unique) ফাইটোকেমিক্যাল যৌগের তথ্য সংরক্ষিত হয়েছে। গবেষকদের দাবি, দক্ষিণ এশিয়ায় এ ধরনের এটিই সবচেয়ে বড় এবং সর্বাধিক বিস্তৃত ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেস।

এই গবেষণা দলে নোবিপ্রবির আরো তিন শিক্ষার্থী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তারা হলেন, বিজিই বিভাগের ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী ইমরানুর রহমান, ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের আমির আলভী এবং ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের প্রমি চৌধুরী বাঁধন।

গবেষকদের মতে, ডেটাবেসটি কম্পিউটারভিত্তিক ওষুধ আবিষ্কার (Computer-Aided Drug Discovery), ফাইটোকেমিক্যাল স্ক্রিনিং এবং এথনোফার্মাকোলজি গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। আধুনিক বায়োইনফরম্যাটিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে উদ্ভিদজাত রাসায়নিক যৌগের সম্ভাব্য ওষুধি কার্যকারিতা দ্রুত ও স্বল্প ব্যয়ে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে।

এতদিন দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ফাইটোকেমিক্যাল ডেটাবেস হিসেবে ভারতের IMPPAT 2.0 পরিচিত ছিল, যেখানে প্রায় ১৭ হাজার ৯৬৭টি ফাইটোকেমিক্যাল যৌগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নতুন BMPPD ডেটাবেসে প্রায় ৬৩ হাজার অনন্য যৌগ সংযোজনের মাধ্যমে সেই সীমা অতিক্রম করে দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে বাংলাদেশ।

বর্তমানে দেশের ৪৫টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও শিক্ষার্থীরা এই ওপেন রিসোর্স ব্যবহার করে গবেষণা পরিচালনা করছেন। গবেষণা সংশ্লিষ্টদের মতে, এই উদ্যোগ দেশের বায়োইনফরম্যাটিক্স, ঔষধি উদ্ভিদ গবেষণা এবং নতুন ওষুধ আবিষ্কারের সম্ভাবনাকে আরো এগিয়ে নেবে।

এ প্রসঙ্গে এস. কে. ফয়সাল আহমেদ বলেন, ‘প্রকৃতি শুরু থেকেই যে ভাষায় কথা বলে এসেছে, তারই আধুনিক বৈজ্ঞানিক রূপ হলো বায়োইনফরম্যাটিক্স। বিএমপিপিডি-এর প্রতিটি যৌগের মাঝে লুকিয়ে আছে একেকটি সম্ভাব্য জীবনরক্ষাকারী ওষুধ। দক্ষিণ এশিয়ার ঔষধি ঐতিহ্যকে বায়োইনফরম্যাটিক্সের শক্তিতে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার সময় এসেছে এবং সেই যাত্রা বাংলাদেশ থেকেই শুরু হচ্ছে।"

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টদের মতে, নোবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ও সক্রিয় অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক মানের এই গবেষণা অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা সক্ষমতা ও সম্ভাবনার আরেকটি উজ্জ্বল স্বীকৃতি।

শিক্ষাছুটির পরও কর্মস্থলে যোগদান না করায়

গোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করল প্রশাসন

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
গোবিপ্রবির ১৭ শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করল প্রশাসন
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্মস্থলে যোগদান না করায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৬ জন শিক্ষককে এবং সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনের অভিযোগে আরো একজনসহ ১৭ জন শিক্ষককে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

আজ রবিবার (২৮ জুন) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়, ২৩ জুন অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম রিজেন্ট বোর্ড সভার ৪৩/১০ নম্বর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অননুমোদিতভাবে শিক্ষাছুটিতে বিদেশে অবস্থান করা এবং এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একাধিকবার পত্রের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলেও কর্মস্থলে যোগদান না করায় তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা হলেন ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. আমিরুল ইসলাম ও আশরাফুল হোসেন হাওলাদার, সহকারী অধ্যাপক পান্থ প্রতিম সরকার এবং প্রভাষক মো. আহসানউল্লাহ, মো. খায়রুল বাশার ও উপমা দাস, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাকলী খাতুন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ময়মুনা বেগম কলি, রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. দেবব্রত পাল, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রুবাইয়াৎ রহমান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান, ফার্মেসি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিয়া নাহিয়ান জুলফিকার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক অধরা তাহসিন, অ্যাপ্লাইড কেমিস্ট্রি অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারজানা ইয়াসমিন, ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. উজ্জ্বল হুসাইন এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাবিয়া খাতুন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষাছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কর্মস্থলে যোগদানের জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বারবার লিখিতভাবে জানানো হয়। কিন্তু তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আহ্বানে সাড়া না দেওয়ায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তাদের স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একই সঙ্গে অফিস আদেশে চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের ছুটিকালীন আহরিত সমুদয় অর্থ বিধি মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়কে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা খাতুনকে সরকারি চাকরিবিধি লঙ্ঘনসহ নৈতিক স্খলনের অভিযোগে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

গোবিপ্রবির উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. মাহবুবুল আলমের দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।