বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের কেন্দ্রে যুব কর্মসংস্থানকে স্থান দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন কার্যালয়ের সাবেক পরিচালক ড. সেলিম জাহান। তিনি বলেন, বিশ্ব জনসংখ্যার প্রায় ১৬ শতাংশ তরুণ হলেও বাংলাদেশে এই হার প্রায় ৩০ শতাংশ। বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই কর্মসংস্থানের পরিমাণগত অর্জনের পাশাপাশি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা জরুরি।
রবিবার (২৮ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ইন্টারজেনারেশনাল ডায়ালগ: পাথওয়েজ ফর ইয়ুথ এমপ্লয়মেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ এই দিনব্যাপী সেমিনারের আয়োজন করে।
পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু হাসানাত মোহাম্মদ কিশোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম এবং স্বাগত বক্তব্য দেন ছাত্র উপদেষ্টা সহকারী অধ্যাপক শাফায়েত সুলতান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা সায়েন্সসহ আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষতা অর্জন করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের কর্মবাজারে তারা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে পারে। এ ধরনের আন্তঃপ্রজন্ম সংলাপ থেকে উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত প্রস্তাবনাগুলো বাস্তবায়নে এবং সরকারের কাছে তা উপস্থাপনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় উদ্যোগ নেবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সেমিনারে অন্যান্যদের মধ্যে প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. উম্মে বুশরা ফাতেহা সুলতানা এবং ফিন্যান্সিয়াল এক্সিলেন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মামুন রশীদ। বক্তারা দেশের যুবসমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন।





