• ই-পেপার

ঢাবির ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে হিট সাব-প্রজেক্টের ‘আইডিয়া শেয়ারিং’ কর্মশালা

মানবসম্পদ উন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : অধ্যাপক মামুন

নিজস্ব প্রতিবেদক
মানবসম্পদ উন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : অধ্যাপক মামুন

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন বলেছেন, উচ্চশিক্ষা খাতে অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি এখন মানবসম্পদ উন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাউবি) আয়োজিত ‘শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচি পরিদর্শনে তিনি এ কথা বলেন।

অধ্যাপক মামুন বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য উচ্চশিক্ষার রূপান্তর। এ লক্ষ্যে একাডেমিক কার্যক্রমের উন্নয়ন, গবেষণায় অর্থায়ন বৃদ্ধি এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অতীতে অবকাঠামোগত উন্নয়নে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হলেও এখন মানবসম্পদ উন্নয়নকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষক ও প্রশাসনের দক্ষতা বাড়াতে পরিচালিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সেবার মান, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি বাড়াতে সহায়তা করবে।

ইউজিসি সদস্য বলেন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারেও শিক্ষা খাতে অবকাঠামোর পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে আরো আধুনিক ও দক্ষ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে ইউজিসি।

শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিইউতে ‘পুঁজিবাজার পর্যালোচনা’ শীর্ষক কর্মশালা

অনলাইন ডেস্ক
শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিইউতে ‘পুঁজিবাজার পর্যালোচনা’ শীর্ষক কর্মশালা
ছবি : কালের কণ্ঠ

শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুঁজিবাজার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত জ্ঞান সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে (বিইউ) ‘পুঁজিবাজার পর্যালোচনা : আগামী প্রজন্মের বিনিয়োগকারীদের ক্ষমতায়ন’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​বুধবার (২৪ জুন) বিকেলে বাংলাদেশ অ্যাকাডেমি ফর সিকিউরিটিজ মার্কেটস (BASM)-এর আয়োজনে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি বিজনেস ক্লাব (BUBC)-এর সহযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হল রুমে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ব্রি. জে. মো. মাহবুবুল হক (অব.)। 

ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান ড. মো. মুজাক্কিরুল হুদার সভাপতিত্বে কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএএসএম (BASM)-এর মহাপরিচালক মি. কামরুল আনাম খান, এফসিএমএ (FCMA), ফ্যাকাল্টি মিস নিপা সাহা ( ফ্যাকাল্টি গ্রেড -৩ )এবং  মো: সাদ্দাম হোসাইন খান (ফ্যাকাল্টি গ্রেড -৫ )।

​কর্মশালায় বক্তারা বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের কাঠামো, বিনিয়োগের মৌলিক ধারণা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সচেতনতা এবং তরুণ প্রজন্মের জন্য দায়িত্বশীল বিনিয়োগের গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

​কর্মশালার একটি বিশেষ সেশনে বিএএসএমের ফ্যাকাল্টি মো. সাদ্দাম হোসাইন খান পুঁজিবাজারের বিভিন্ন ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ইনিশিয়াল পাবলিক অফারিং (IPO) এবং লিস্টিং প্রক্রিয়ার (Listing Process) ধাপসমূহ তুলে ধরেন। এছাড়া বিনিয়োগের পূর্বে তথ্য বিশ্লেষণ ও ঝুঁকি মূল্যায়নের কৌশল হিসেবে ‘Three Filter Theory for Calculative Risk Management এবং শেয়ারবাজারে মূল্য প্রবণতা বিশ্লেষণে ‘টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস’ (চার্ট প্যাটার্ন, ট্রেন্ড অ্যানালাইসিস, সাপোর্ট ও রেজিস্ট্যান্স লেভেল) বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক ধারণা প্রদান করেন, যা শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করে।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো: জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি আর্থিক ও বিনিয়োগ-সংক্রান্ত জ্ঞান শিক্ষার্থীদের কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ এ ধরনের কর্মশালা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

​কর্মশালায় আলোচিত বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি বিশেষ কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় এবং সঠিক উত্তরদাতাদের আকর্ষণীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়।

​অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন এবং প্রশ্নোত্তর পর্বে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন।

ঢাবি ও ইন্দোনেশিয়ার ব্রিনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবি ও ইন্দোনেশিয়ার ব্রিনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
ছবি: কালের কণ্ঠ

সমুদ্রবিজ্ঞান, জলবায়ু পরিবর্তন এবং ব্লু ইকোনমি বিষয়ক গবেষণা সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় গবেষণা ও উদ্ভাবন সংস্থা (ব্রিন)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ওশান গভর্ন্যান্স (আইসিওজি) এবং ব্রিনের রিসার্চ সেন্টার ফর ডিপ সি-এর মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) উপাচার্যের অফিস সংলগ্ন সভাকক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং ব্রিনের রিসার্চ সেন্টার ফর ডিপ সি-এর প্রধান অধ্যাপক ড. আ’আন ওয়াহিউদি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির, আইসিওজির ভিজিটিং সায়েন্টিস্ট অধ্যাপক ড. টোনিয়া অ্যাস্ট্রিড কাপুয়ানো, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দা রোযানা রশিদ এবং ব্রিনের গবেষক ও প্রতিনিধিরা। অনুষ্ঠানটি সমন্বয় করেন আইসিওজির পরিচালক ড. কে এম আজম চৌধুরী।

চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে সামুদ্রিক বিজ্ঞান গবেষণা, জলবায়ু পরিবর্তন অধ্যয়ন, ব্লু ইকোনমি উন্নয়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি, একাডেমিক বিনিময় এবং যৌথ গবেষণা কার্যক্রমে সহযোগিতা আরো জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্র শাসন ও টেকসই উন্নয়নসংক্রান্ত বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক গবেষণা অংশীদারি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ সহযোগিতা ব্লু ইকোনমি খাতে জ্ঞান বিনিময় ও গবেষণার নতুন সুযোগ তৈরি করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
প্রশ্ন ফাঁসের চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের কোনো ধরনের অপচেষ্টা করা হলে কঠোর হাতে দমন করা হবে। সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যা দেখে অন্য অপরাধীরা আজীবন শিক্ষা পাবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে বরিশাল অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘সারা বিশ্বে যদি ‘ও’ লেভেল বা ‘এ’ লেভেল পরীক্ষা একই প্রশ্নে হতে পারে, তবে আমাদের দেশে বোর্ডভেদে আলাদা প্রশ্ন কেন হবে? বোর্ডের চেয়ারম্যানরা আগে বলতেন—প্রশ্ন ফাঁসের আশঙ্কায় তারা আলাদা প্রশ্ন করেন। আমি বলেছি, প্রশ্ন ফাঁসই হতে দেওয়া হবে না। কোনো একটি বোর্ডের প্রশ্ন সহজ আর অন্য বোর্ডের প্রশ্ন কঠিন—এই জিপিএ বৈষম্যের মানসিকতা থেকে শিক্ষার্থীদের মুক্ত করতেই আমরা একক ও অভিন্ন প্রশ্নপত্রে এবার এইচএসসি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’’

বিগত সরকারের আমলের শিক্ষার করুণ চিত্র ও ঢালাও পাসের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিগত সরকারের আমলের নীতি ছিল—না পড়ে, নকল করে, ইন্টারনেটের সহায়তায় খাতায় বেশি নম্বর দিয়ে পাস করিয়ে দাও। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার লেখাপড়ার মান ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর। আমরা যোগ্যতার নামে ক্ষমতায় বসে থাকতে চাই না, যে কদিন থাকব সিংহের মতো চলব, শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করে ছাড়ব।’

তিনি কেন্দ্র সচিব ও কর্মকর্তাদের পরীক্ষার শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে কোনো পরীক্ষার্থীকে অন্যায় সুবিধা না দেওয়ার নির্দেশ দেন।

বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন, বরিশাল জেলা প্রশাসক খাইরুল আলম সুমন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন উর রশিদ, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. ইউনুছ আলী সিদ্দিকী।