• ই-পেপার

চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দুটি করে নতুন বিষয় : মাহদী আমিন

সাত মাসেও শেষ হয়নি নোবিপ্রবি ছাত্রদল আয়োজিত ফুটসাল টুর্নামেন্ট

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি
সাত মাসেও শেষ হয়নি নোবিপ্রবি ছাত্রদল আয়োজিত ফুটসাল টুর্নামেন্ট
সংগৃহীত ছবি

বিজয় দিবস উপলক্ষে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন, আকর্ষণীয় পুরস্কার এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের প্রত্যাশা নিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ছাত্রদল আয়োজিত আন্তঃবিভাগ ফুটসাল টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছিল। তবে টুর্নামেন্ট শুরুর প্রায় সাত মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ। এতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত টুর্নামেন্টের প্রচারপত্রে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের জন্য যথাক্রমে ১৫ হাজার ও ১০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টটি শুরুর কথা থাকলেও শুরু হয় ১০ ডিসেম্বরে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে টুর্নামেন্টের প্রাথমিক পর্বের খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর, ঈদুল ফিতরের বন্ধ শেষে ২য় পর্বের খেলাও অনুষ্ঠিত হয়। 

তবে বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজন করা হলেও ডিসেম্বরের মধ্যেই টুর্নামেন্ট শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে ৩০ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টুর্নামেন্টটির নাম পরিবর্তন করে ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ রাখা হয়।

আয়োজক সূত্র জানায়, টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্যাটিস্টিকস, বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকিউলার বায়োলজি, ফিজিক্স এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগ। তবে এখনো সেমিফাইনাল ও ফাইনালের সূচি ঘোষণা করা হয়নি।

টুর্নামেন্ট দীর্ঘায়িত হওয়ার কারণ জানতে চাইলে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক শেখ আবরার নাসিফ বলেন, ‘টুর্নামেন্ট শুরুর পর জাতীয় পর্যায়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুবরণ, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনকেন্দ্রিক ব্যস্ততা এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগীয় প্রতিযোগিতা থাকায় আমরা কেন্দ্রীয় মাঠে খেলার আয়োজন করতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘আগামী ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয় দিবস রয়েছে। এ কারণে এখনো খেলা আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। দিবসের পর একটি কনসার্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেই আয়োজনের মাধ্যমেই আমরা সেমিফাইনাল ও ফাইনাল সম্পন্ন করতে চাই।’

এ বিষয়ে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান বলেন, ‘টুর্নামেন্ট শুরুর পর জাতীয় পর্যায়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি ও রাজনৈতিক ব্যস্ততা তৈরি হয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুবরণ, দেশনেতা তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন এবং জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে নানা কার্যক্রম ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আমাদের বড় পরিসরের কর্মসূচিও রয়েছে। এসব কারণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের ১৫ দিনের মধ্যেই আমরা সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচ একটি বড় কনসার্ট আয়োজনের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট শেষ করার পরিকল্পনা নিয়েছি।’

তবে দীর্ঘ সময় ধরে টুর্নামেন্ট ঝুলে থাকায় অংশগ্রহণকারী কয়েকজন শিক্ষার্থী হতাশা প্রকাশ করেছেন। তাঁদের ভাষ্য, প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং অংশগ্রহণকারী দলগুলোর আগ্রহ ধরে রাখতে দ্রুত টুর্নামেন্ট শেষ করা প্রয়োজন।

২০২৭ বর্ষ থেকে বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চালু

নিজস্ব প্রতিবেদক
২০২৭ বর্ষ থেকে বিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা চালু

আগামী ২০২৭ বর্ষ থেকে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ‘পরীক্ষা পদ্ধতি’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষা একটি নামমাত্র পরীক্ষা নেওয়া হবে। এখানে কোচিং সেন্টারে যাওয়ার কোনো প্রশ্ন আসে না। ক্যাচমেন্ট এরিয়া প্লাস পরীক্ষা এই দুইটার সমন্বয়ে ভর্তি নেওয়া হবে।

এর আগে যে ভর্তি পরীক্ষার সিস্টেম ছিল— তখন ব্যাপক অনিয়ম হতো বলে অভিযোগ করেন মন্ত্রী।

আওয়ামী লীগ সরকার ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে ভর্তি বাধ্যতামূলক করে। পরে বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। পরবর্তীতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু হয় এবং এরপর থেকে একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছিল। তবে ফের ৬ বছর পর ফের স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

ইউজিসি মেধাবৃত্তি পেলেন বাকৃবির অনুষদসেরা ৬ শিক্ষার্থী

বাকৃবি প্রতিনিধি
ইউজিসি মেধাবৃত্তি পেলেন বাকৃবির অনুষদসেরা ৬ শিক্ষার্থী
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ছয়টি অনুষদের ৬ মেধাবী শিক্ষার্থী বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) প্রদত্ত মেধাবৃত্তি অর্জন করেছেন। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এসব শিক্ষার্থী প্রথম ৬ সেমিস্টারের ফলাফলের ভিত্তিতে নিজ নিজ অনুষদে সর্বোচ্চ ফলাফল অর্জন করায় এ বৃত্তির জন্য নির্বাচিত হন তারা। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে চেক তুলে দেন।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬টি অনুষদের চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত এবং স্নাতক শেষবর্ষের পূর্বের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে অনুষদে প্রথম স্থান অধিকারী শিক্ষার্থীদের এ বৃত্তি প্রদান করা হয়। পাবলিক ও বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে ইউজিসি প্রতিবছর এ বৃত্তি দিয়ে থাকে।

এ সময় বৃত্তিপ্রাপ্ত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি বাবদ ২৪ হাজার টাকা এবং বই-পুস্তক ক্রয়ের জন্য ২ হাজার টাকা প্রদান করা হয়েছে। ছয়জন শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বমোট ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়। বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন, ভেটেরিনারি অনুষদের বায়েজিদ আলম, কৃষি অনুষদের খালিদ হাসান, পশুপালন অনুষদের মো. জামিল হোসেন, কৃষি অর্থনীতি ও গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান অনুষদের যুথি দত্ত, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের মো. শাদমান জামান রোহিত এবং মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের মোগোলাম সাকলায়েন আনাস।

এ সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘তোমাদের সবার এমন একাডেমিক সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়। আশা করি তোমরা এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এবং একাডেমিকে ভালো করার পাশাপাশি দক্ষ কৃষিবিদ হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলবে।’

প্রাথমিকের সব দপ্তর ও বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিকের সব দপ্তর ও বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও এর আওতাধীন সব প্রতিষ্ঠানকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বকেয়াসহ চলতি বছরের ভূমি উন্নয়ন কর দ্রুত পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের সব দপ্তরকেও এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ-রাজস্ব বিভাগের সহকারী পরিচালক সেলিনা আখতার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

পত্রে বলা হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে অধিদপ্তরের অধীন সব প্রতিষ্ঠানের ভূমি উন্নয়ন কর (কোড-৩৮২১১০২) পরিশোধ নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, বিভাগীয় উপ পরিচালকের কার্যালয়, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (পিটিআই), উপজেলা ও থানা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মাঠ পর্যায়ের সব দপ্তরকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে বকেয়া ও চলতি বছরের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারি সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ভূমি উন্নয়ন কর সময়মতো পরিশোধ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ কারণে সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তাকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।