• ই-পেপার

শিক্ষার উন্নতির ওপরই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে : ইউজিসি সদস্য

শিক্ষার উন্নতির উপর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে : ইউজিসি সদস্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষার উন্নতির উপর বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে : ইউজিসি সদস্য
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ  শিক্ষার উন্নতি, মানব সম্পদের মানোন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির দক্ষতার উপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের  সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল- মামুন। তিনি বলেন, ‘সরকার দক্ষ মানব সম্পদ গড়ার উপর জোর দিচ্ছে। সেজন্য বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে ৫৬শতাংশ বাজেট বাড়িয়েছে। সরকার শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষা শিক্ষার উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি আয়ের উৎস তৈরি করার জন্য স্মার্ট সিটি গড়ে তুলছে।’ 

আজ বুধবার পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে দুইদিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন পাওয়ার, ইলেকট্রনিক্স, কমিউনিকেশনস, কম্পিউটিং এন্ড ইনটিলিজেন্স ইনফ্রাস্টাকচার -২০২৬’ শীর্ষক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

ড. আবদুল্লাহ- আল- মামুন বলেন, ‘সৃজনশীল অর্থনীতিতে এই প্রথম বাজেটে টাকা রাখা হয়েছে। উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে সরকারের সফলতা মানুষের কাছে পৌছে দিতে হবে। এই ধরনের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বের গবেষকদের সঙ্গে আমাদের শিক্ষার্থী-গবেষকদের সেতুবন্ধন রচিত হবে। শিক্ষার্থীরা নতুন নতুন গবেষণায়  উদ্বুদ্ধ হবেন।  শিক্ষার টেকসই উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কাজ করছে।

সম্মেলনে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের গবেষক, বিজ্ঞানী, শিল্প বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবটিকস, পাওয়ার ও এনার্জি সিষ্টেম, যোগাযোগ প্রযুক্তি, নেটওয়ার্কস এবং নিরাপত্তা, স্মার্ট টেকনোলজি অবকাঠামো অ্যান্ড এ্যাডভান্স ইলেকট্রনিকস. ভিএলএসআই এন্ড ইমব্রেডেড সিষ্টেম এর মতো সমসাময়িক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপনা করা হয়। প্রথমদিনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাপানের আইজু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জুংপিল শিন। প্রথম দিনে শতাধিক গবেষক ১৮০টি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। দুই দিনে মোট ৩৯ সেশনে ৩০৮টি গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও সম্মেলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন,  জ্ঞান সৃষ্টির প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু ভবিষ্যত প্রজম্মকে শিক্ষিত করাই নয় সামাজিক প্রতিবন্ধকতারও সমাধান করা। মানবজাতি অভূতপূর্ব রুপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই রুপান্তরে বিশ^বিদ্যালয়কে একটি কেন্দ্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। আমাদের মত নবীন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের জন্য প্রযুক্তির এই রুপান্তরে কাজ করার বড় সুযোগ হয়েছে। এই সুযোগ কাজ লাগাতে হবে। সে জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। গবেষণা হয় কৌতুহল থেকে, সহযোগিতার  মাধ্যমে তা বিকশিত হয় এবং প্রভাব সৃষ্টি করে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি গড়ে তোলা হবে।

উপাচার্য আরো বলেন, ‘এই ধরনের সম্মেলনে পন্ডিতদের সাথে আমাদের তরুন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের  মতবিনিময়ের মূল্যবান সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এখান থেকে গবেষণার মিথস্ক্রিয়া, নতুন ধারণা, গবেষণার দিক নির্দেশনা  পেয়ে তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীরা  উদ্বুদ্ধ হয়ে গবেষণায় আরও বেশি মনোনিবেশ করবেন। 

ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান,বুয়েটের অধ্যাপক ড.  শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ, অধ্যাপক ড.সিলিয়া শাহনাজ, অধ্যাপক ড.মো. ইমামুল হাসান ভুইয়া ও সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহবায়ক ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন। বৃহস্পতিবার সম্মেলনের দ্বিতীয় তথা সমাপনি দিনে শতাধিক দেশি-বিদেশী গবেষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।

আইইবি প্রজেক্ট শোকেসিং

সেরা প্রকল্পের পুরস্কার পেল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ‘ডুবোমিনি’

নিজস্ব প্রতিবেদক
সেরা প্রকল্পের পুরস্কার পেল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ‘ডুবোমিনি’
ছবি: কালের কণ্ঠ

ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) আয়োজিত প্রজেক্ট শোকেসিং কম্পিটিশন ২০২৬-এ সেরা প্রকল্পের পুরস্কার পেয়েছে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রোবোটিকস দল ‘ব্র্যাকইউ ডুবুরি’। তাদের তৈরি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান ‘ডুবোমিনি’ এই সম্মানজনক অর্জন বয়ে এনেছে।

সম্প্রতি রাজধানীর রমনায় আইইবি সদর দপ্তরে দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রকৌশলবিদ্যার শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল কাজ প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করতে আইইবি এই মেলার আয়োজন করে।

২০১৭ সাল থেকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের উচ্চতর গবেষণা এবং বাস্তব জীবনে ব্যবহার উপযোগী ডুবো রোবট তৈরিতে সহায়তা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিনিধিত্ব করে ‘ব্র্যাকইউ ডুবুরি’ দল।

‘ডুবোমিনি’ মূলত ছোট আকারের একটি রোবটচালিত ডুবোযান (এইউভি), যা পানির নিচে কোনো মানুষের সাহায্য ছাড়াই নিজে থেকে কাজ করতে পারে। একজন দক্ষ সাঁতারুর মতো এটি পানির নিচে যেকোনো দিকে চলতে ও ঘুরতে সক্ষম। ফলে যেকোনো সংকীর্ণ বা দুর্গম জায়গায় এটি নিখুঁতভাবে নিজের কাজ সম্পন্ন করতে পারে।

ব্যাটারিচালিত এই ডুবোযানটিতে ব্যবহার করা হয়েছে একটি বিশেষ স্মার্ট পাওয়ার সিস্টেম। এই প্রযুক্তির কারণে এর মোটর এবং মূল অনবোর্ড কম্পিউটার বা ‘মস্তিষ্ক’ আলাদাভাবে সচল থাকে। ফলে রোবটের কোনো একটি অংশে বিদ্যুতের সমস্যা হলেও অন্য অংশের কার্যক্রমে কোনো প্রভাব পড়ে না।

স্বয়ংক্রিয় গাড়ির মতো করেই পানির নিচে নিজের পথ চিনে নিতে পারে ডুবোমিনি। এতে রয়েছে উচ্চপ্রযুক্তির ক্যামেরা ও বিভিন্ন সেন্সর, যার মাধ্যমে এটি পানির গভীরতা, চলার দিক এবং চারপাশের পরিবেশ বুঝতে পারে। এর নিজস্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সফটওয়্যার পানির নিচের যেকোনো বস্তু ও বাধা শনাক্ত করতে সাহায্য করে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডুবোযানটি পানির নিচে গেটের মধ্য দিয়ে চলাচল, বাধা এড়ানো এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করার মতো জটিল কাজগুলো প্রায় একা একাই করতে পারে।

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের এই উদ্ভাবন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে সরাসরি ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে এসডিজি ৪ (মানসম্মত শিক্ষা), এসডিজি ৯ (শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো) এবং এসডিজি ১৭ (লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব) বাস্তবায়নে এই প্রকল্প একটি বড় দৃষ্টান্ত।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, প্রতিবেদকের ব্যাখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ, প্রতিবেদকের ব্যাখ্যা
ফাইল ছবি

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্যের বক্তব্য উদ্ধৃত করে প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রতিবেদকের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।

গত ৯ জুন দৈনিক কালের কণ্ঠে ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে খুবিতে বৃক্ষরোপণ’ শিরোনামে প্রকাশিত এক সংবাদে উপাচার্যের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছি। এখানে প্রচুর দর্শক আসে। যেহেতু খুলনায় তেমন বিনোদনকেন্দ্র নেই। এ বিষয়টি বিবেচনা করে আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি।’

এ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একটি অফিস আদেশ জারি করে সংবাদটির প্রতিবাদ জানায় এবং ব্যাখ্যা চায়। প্রশাসনের দাবি, উপাচার্যের বক্তব্য যথাযথভাবে উপস্থাপিত হয়নি এবং এর সারবস্তু বিকৃত করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও তারা উল্লেখ করেছে।

তবে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক। তিনি বলেন, পেশাগত দায়িত্ববোধ ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে এবং এর পক্ষে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ তার কাছে রয়েছে।

প্রতিবেদক বলেন, ‘খুবির উপাচার্য অধ্যাপক রেজাউল করিম উক্ত বক্তব্য দেওয়ার আগে ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো যে’ বলে বিষয়টির প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। সেই গুরুত্ব বিবেচনায় আমি উদ্ধৃতিটি কোট করেছি। আমি কোনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বা বিকৃত করে বক্তব্য উপস্থাপন করিনি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করারও কোনো চেষ্টা করিনি।’

সংবাদটি প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও প্রতিবেদকের মধ্যে ভিন্ন অবস্থান তৈরি হয়েছে। প্রশাসন বক্তব্য বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ তুললেও প্রতিবেদক তার প্রতিবেদনের তথ্য ও উদ্ধৃতির যথার্থতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

জবিতে প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড, সম্মাননা পেলেন ১০৪ শিক্ষার্থী

জবি প্রতিনিধি
জবিতে প্রথম ডিনস অ্যাওয়ার্ড, সম্মাননা পেলেন ১০৪ শিক্ষার্থী
সংগৃহীত ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৬-১৭ থেকে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের চারটি ব্যাচের স্নাতক পর্যায়ের ১০৪ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়।

বুধবার (১৭ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, চারটি শিক্ষাবর্ষের বিভিন্ন অনুষদের মোট ১০৪ জন শিক্ষার্থী ডিনস অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন। এর মধ্যে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ২৪ জন, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ২৫ জন, ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ২৮ জন এবং ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ২৭ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন নিজ নিজ অনুষদের অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। কলা, বিজনেস স্টাডিজ, বিজ্ঞান, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স এবং চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীরা এ সম্মাননায় ভূষিত হন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পর প্রথমবারের মতো ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ। এ ধরনের স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের মেধা ও উৎকর্ষ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’ এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের যথাযথ ব্যবহার করে দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে আজকের দিনটি একটি স্মরণীয় অধ্যায়। ডিনস অ্যাওয়ার্ড শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।’ তিনি শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি বৃদ্ধি, আবাসন সংকট নিরসন এবং দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হামিদুর রহমান হামিদ, আবদুল খালেক, অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন এবং অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া।

স্বাগত বক্তব্য দেন ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. পরিমল বালা এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. শেখ গিয়াস উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে বিভাগীয় চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউট পরিচালক, শিক্ষক, কর্মকর্তা, অভিভাবক ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ডিনস অ্যাওয়ার্ড প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উৎকর্ষতা ও কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।