• ই-পেপার

৯৬ বার পেছাল রিজার্ভ চুরির মামলার প্রতিবেদন

টেকসই উত্তরণের লক্ষ্যেই এলডিসি প্রস্তুতিকাল বাড়াতে চায় সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
টেকসই উত্তরণের লক্ষ্যেই এলডিসি প্রস্তুতিকাল বাড়াতে চায় সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরো তিন বছর বাড়ানোর উদ্যোগকে বিলম্ব হিসেবে না দেখে টেকসই ও সুশৃঙ্খল উত্তরণের অংশ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, ‘উত্তরণের এই অতিরিক্ত সময় আমরা বিলম্বের জন্য চাই না; বরং একটি টেকসই, স্থিতিশীল ও কার্যকর অর্থনৈতিক রূপান্তরের জন্য চাই।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এনইসি সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত ‘Bangladesh’s Preparedness for LDC Graduation and the Rationale for Extension of the Preparatory Period’ শীর্ষক সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) বাণিজ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে জানানো হয়, বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) কাছে এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরো তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সিডিপি ইতিবাচক সাড়া দিয়ে তাদের মূল্যায়ন প্রতিবেদন জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদে (ইকোসক) জমা দিয়েছে। ইকোসক বিষয়টি পর্যালোচনা করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সুপারিশ পাঠাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই সরকার প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর আবেদন জানায়। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য অস্থিরতা, ভূরাজনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘ্নসহ নানা চ্যালেঞ্জের কারণে সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি হয়েছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হলো সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি শক্তিশালী করা।

জাতিসংঘের ওএইচআরএলএলএসের গ্র্যাজুয়েশন প্রস্তুতি মূল্যায়ন প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এলডিসি উত্তরণের জন্য পুরোপুরি অনুকূল নয়। এ কারণেই অতিরিক্ত প্রস্তুতিমূলক সময় প্রয়োজন।

তিনি জানান, সরকার ইতোমধ্যে ২৫টি অগ্রাধিকারভিত্তিক সংস্কার কর্মসূচির একটি রোডম্যাপ গ্রহণ করেছে। এতে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংস্কার, ডিরেগুলেশন, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণ এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ব্যবসা সহজীকরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যবসা শুরু করার সময় এক বছর থেকে কমিয়ে ১৪ দিনে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে, যাতে ১৫তম দিনে প্রতিষ্ঠানটি এলসি খুলে যন্ত্রপাতি আমদানি করতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, ব্যবসা নিবন্ধন ও লাইসেন্সিং ব্যবস্থার জটিলতা ও অপ্রয়োজনীয় ওভারল্যাপ দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে উদ্যোক্তাদের সময় ও ব্যয় কমে আসে।

সেমিনারে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, সরকার নাজুক অর্থনীতি ও দুর্বল আর্থিক খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের কাজ করছে। এ জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মেয়াদ বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন অংশীদারদের সহায়তা প্রয়োজন।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী। তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, কাঠামোগত ও আন্তর্জাতিক ঝুঁকি-চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন এবং টেকসই উত্তরণের জন্য সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ উপস্থাপন করেন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত বলেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ দ্রুত পরিবর্তনশীল। এ অবস্থায় সংস্কারের গতি বজায় রাখা জরুরি। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বাজার উন্মুক্তকরণ ও প্রতিযোগিতার সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, উন্নয়ন অংশীদার ও বিশেষজ্ঞরা রপ্তানি বহুমুখীকরণ, আর্থিক খাত সংস্কার এবং করের আওতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।

জুনে রপ্তানি আয় বেড়ে ৪২০ কোটি ডলার

অনলাইন ডেস্ক
জুনে রপ্তানি আয় বেড়ে ৪২০ কোটি ডলার

সদ্যবিদায়ী জুন মাসে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গত জুন মাসে বেড়েছে দেশের রপ্তানি আয়। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। ২০২৫ সালের জুন মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৩৩৩ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। আর ২০২৬ সালের জুন মাসে রপ্তানি হয়েছে ৪২০ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পণ্য। 

জুন মাসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলারে। আর ২০২৫ সালের একই সময়ে এ আয় ছিল ২৭৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।

তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ের মধ্যে ১৮৪ কোটি ১ লাখ ডলার এসেছে নিটওয়্যার রপ্তানি থেকে, যা বছর ব্যবধানে ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া ১৫৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার এসেছে ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ২৪ দশমিক ০২ শতাংশ।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, জুন মাসে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য খাতের মধ্যে কৃষি পণ্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত এবং হোম টেক্সটাইলের পণ্য রপ্তানি আয় বেড়েছে। জুন মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয় ৫৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৫১ লাখ ডলারে।

জুনে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৫.৯১ শতাংশ

অনলাইন ডেস্ক
জুনে রপ্তানি আয় বেড়েছে ২৫.৯১ শতাংশ

গত জুন মাসে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুন মাসে বেড়েছে দেশের রপ্তানি আয়। প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। ২০২৫ সালের জুন মাসে রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৩৩৩ কোটি ৭৯ লাখ ডলার। আর ২০২৬ সালের জুন মাসে রপ্তানি হয়েছে ৪২০ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পণ্য।

তৈরি পোশাক খাত
জুন মাসে তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৫২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলারে। আর ২০২৫ সালের একই সময়ে এ আয় ছিল ২৭৮ কোটি ৭৭ লাখ ডলার।

তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয়ের মধ্যে ১৮৪ কোটি ১ লাখ ডলার এসেছে নিটওয়্যার রপ্তানি থেকে, যা বছর ব্যবধানে ১৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া ১৫৪ কোটি ৭৫ লাখ ডলার এসেছে ওভেন পোশাক রপ্তানি থেকে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ২৪ দশমিক ০২ শতাংশ।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী, জুন মাসে অন্যান্য উল্লেখযোগ্য খাতের মধ্যে কৃষি পণ্য এবং চামড়া ও চামড়াজাত এবং হোম টেক্সটাইলের পণ্য রপ্তানি আয় বেড়েছে। জুন মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় হোম টেক্সটাইলের রফতানি আয় ৫৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৫১ লাখ ডলারে।

আর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে ৪৭ দশমিক ৬৮ শতাংশ। জুন মাসে রপ্তানি হয়েছে ১২ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। এ ছাড়া কৃষি পণ্যের রপ্তানি আয় ৪৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৯৬ লাখ ডলারে। ২০২৫ সালের একই সময়ে যা ছিল ৬ কোটি ১০ লাখ ডলার।

এদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) তৈরি পোশাক, ওষুধ এবং চামড়াসহ ২৭ ধরনের পণ্য বিশ্ববাজারে রপ্তানি হয়েছে। এ সময় বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে ৪ হাজার ৮০০ কোটি ১৯ লাখ মার্কিন ডলারের পণ্য, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ কম।

এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমল

অনলাইন ডেস্ক
এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমল

ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) ও অটোগ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৫৭ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫২৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ ১২ কেজির এলপিজির সিলিন্ডারে ৩৫৭ টাকা কমেছে। একই সঙ্গে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা কমিয়ে ৭০ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বিইআরসির জারি করা এক আদেশে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করা হয়। নতুন দাম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বহাল থাকবে।

বিইআরসি জানিয়েছে, জুলাই মাসের জন্য সৌদি আরামকোর ঘোষিত কনট্রাক্ট প্রাইস (সিপি) অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এ মাসে প্রোপেনের সিপি প্রতি মেট্রিক টন ৫৮০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের ৬০০ মার্কিন ডলার ধরা হয়েছে। ৩৫:৬৫ অনুপাতে দুই গ্যাসের গড় সিপি হয়েছে ৫৯৩ মার্কিন ডলার। পাশাপাশি এলপিজি আমদানিতে প্রতি মেট্রিক টনে ১৮০ মার্কিন ডলার জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম এবং প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ১২৩ টাকা ৮ পয়সা বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি কেজি বোতলজাত এলপিজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২৭ টাকা ৩০ পয়সা। সে হিসাবে ১২ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৯১ টাকা, ১৫ কেজির ১ হাজার ৯১০ টাকা, ১৬ কেজির ২ হাজার ৩৭ টাকা, ১৮ কেজির ২ হাজার ২৯১ টাকা, ২০ কেজির ২ হাজার ৫৪৬ টাকা, ২২ কেজির ২ হাজার ৮০১ টাকা, ২৫ কেজির ৩ হাজার ১৮৩ টাকা, ৩০ কেজির ৩ হাজার ৮১৯ টাকা, ৩৩ কেজির ৪ হাজার ২০১ টাকা, ৩৫ কেজির ৪ হাজার ৪৫৬ টাকা এবং ৪৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৫ হাজার ৭২৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি এলপিজির দাম প্রতি কেজি ১২৩ টাকা ৫৫ পয়সা এবং গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৭৪ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন। এ ছাড়া কমিশন নির্ধারিত দামের বেশি মূল্যে বোতলজাত এলপিজি, রেটিকুলেটেড এলপিজি বা অটোগ্যাস বিক্রি করা যাবে না বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে সরকারি এলপিজির দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। সরকারি ১২ দশমিক ৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য আগের মতোই ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সা থাকবে।

এর আগে গত ২ জুন বিইআরসি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা থেকে কমিয়ে ১ হাজার ৮৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল। একই সময়ে অটোগ্যাসের দাম লিটারপ্রতি ৮৯ টাকা ৫০ পয়সা থেকে কমিয়ে ৮৬ টাকা ৯৩ পয়সা করা হয়েছিল। জুলাই মাসে নতুন সমন্বয়ের ফলে এক মাসের ব্যবধানে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম আরো ৩৫৭ টাকা কমল।