• ই-পেপার

মহররম ও আশুরা : তাৎপর্য ও শিক্ষা

কোরআন থেকে শিক্ষা

পর্ব-১১৬৩

কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ

এটা এ জন্য যে যারা কুফরি করে তারা মিথ্যার অনুসরণ করে এবং যারা ঈমান আনে তারা তাদের প্রতিপালক প্রেরিত সত্যের অনুসরণ করে। এভাবে আল্লাহ মানুষের জন্য তাদের দৃষ্টান্ত প্রদান করেন। অতএব যখন তোমরা অবিশ্বাসীদের সঙ্গে যুদ্ধে মোকাবেলা করো তখন তাদের গর্দানে আঘাত কোরো, পরিশেষে যখন তোমরা তাদের সম্পূর্ণরূপে পরাভূত করবে তখন তাদের কষে বাঁধবে। অতঃপর হয় অনুকম্পা, নয় মুক্তিপণ। তোমরা জিহাদ চালাবে যতক্ষণ না যুদ্ধ এর অস্ত্র নামিয়ে ফেলে এটাই বিধান।... (সুরা : মুহাম্মদ, আয়াত : ৩-৪)

আয়াতদ্বয়ে যুদ্ধবন্দিদের বিধান করা হয়েছে।

শিক্ষা ও বিধান

 

১. ঈমান ও নেক আমলই মানুষের জীবন সুন্দর করে। এটাই ইহকালে ও পরকালে মুক্তির একমাত্র পথ।

২. মুসলিম রাষ্ট্রপ্রধান অবস্থা বিবেচনা করে চাইলে যুদ্ধবন্দিদের কাছ থেকে মুক্তিপণ নিয়ে তাদের মুক্ত করে দিতে পারেন। শর্ত হলো, এতে ইসলামী রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ভয় থাকবে না।

৩. ইসলামী রাষ্ট্রের প্রধান অবস্থার বিচারে চাইলে তাদেরকে হত্যা বা দাসে পরিণত করতে পারেন।

৪. মুমিনদের জন্য পরীক্ষা হলো তারা নিজের জীবনের ওপর আল্লাহর নির্দেশকে প্রাধান্য দেয় কি না?

৫. অবিশ্বাসীদের জন্য পরীক্ষা হলো তারা যুদ্ধের শাস্তি দেখে ঈমান আনে কি না? (বুরহানুল কুরআন : ৩/৩৭২)

 

প্রশ্ন-উত্তর

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

প্রশ্ন-উত্তর

সাহু সিজদা দিতে ভুলে গেলে করণীয়

প্রশ্ন: একদিন অতিরিক্ত কাজের চাপের কারণে আমি অফিসেই একা একা নামাজ আদায় করছিলাম। নামাজের মধ্যে আমি টের পাই যে আমার ওপর সাহু সিজদা ওয়াজিব হয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমি সাহু সিজদা দিতে ভুলে যাই। এখন প্রশ্ন হলো, ফরজ নামাজে সাহু সিজদা ওয়াজিব হওয়ার পর যদি তা আদায় করতে স্মরণে না থাকে, পরে ওয়াক্তের ভেতরে বা বাহিরে যদি স্মরণ হয়, তাহলে ওই নামাজ পুনরায় পড়া কি ওয়াজিব?

মনোয়ার হোসেন, লক্ষ্মীপুর

উত্তর : ফরজ নামাজে সাহু সিজদা ওয়াজিব হওয়ার পর যদি আদায় করতে স্মরণ না থাকে পরবর্তী সময়ে ওয়াক্তের ভেতর বা বাহিরে স্মরণ হলে ওই নামাজ পুনরায় পড়া ওয়াজিব। তাই আপনাকে উক্ত নামাজটি আবার পড়ে নিতে হবে। জাজাকাল্লাহ।  (ফাতাওয়ায়ে শামি : ২/৬৪-৬৫, বেহেস্তি জিওর : ২/৩৬)

ভূমিকম্প বৃদ্ধি বিশ্ববাসীর জন্য সতর্কবার্তা

মুফতি মুহাম্মদ মর্তুজা
ভূমিকম্প বৃদ্ধি বিশ্ববাসীর জন্য সতর্কবার্তা

পৃথিবীতে সংঘটিত প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প অন্যতম ভয়াবহ। মুহূর্তের মধ্যেই এটি জনপদ ধ্বংস করে দিতে পারে, হাজারো মানুষের জীবন বিপন্ন করতে পারে এবং মানুষের অসহায়ত্বকে প্রকট করে তোলে। ইসলাম ভূমিকম্পকে শুধু একটি প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে নয়, বরং আল্লাহ তাআলার মহাশক্তির নিদর্শন এবং মানুষের জন্য শিক্ষা ও সতর্কবার্তা হিসেবেও বিবেচনা করে।

মানুষ যত উন্নত প্রযুক্তির মালিক হোক না কেন, মহান আল্লাহ তাআলার শাস্তির সামনে তারা অসহায়। যেমনউন্নত দেশগুলোতেও কখনো ভূমিকম্প দেখা দিলে তাদের উন্নত দালানকোঠাসহ মাটিতে ধসে যেতে দেখা যায়। তখন অসহায় মানুষগুলোর কাছে আল্লাহর দয়া ছাড়া আর কোনো প্রযুক্তিরই কোনো অর্থ থাকে না। মানুষের এই দুর্বলতা ও অসহায়ত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে গিয়ে মহান আল্লাহ বলেন, তোমরা কি তোমাদের নিরাপদ মনে করে নিয়েছ যে যিনি আকাশে আছেন তিনি তোমাদের জমিনে বিধ্বস্ত করে দেবেন না, যখন তা হঠাৎ থরথর করে কাঁপতে থাকবে? (সুরা : মুলক, আয়াত : ১৬)

এই আয়াত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে পৃথিবীর স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা একমাত্র আল্লাহর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। এগুলো আল্লাহর প্রবল শক্তির নিদর্শন। যে নিদর্শন দিয়ে অতীতে বহু জাতিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। আবার কখনো কখনো স্রেফ সতর্ক করা হয়েছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ এসব নিদর্শন দিয়ে তাঁর বান্দাদের সতর্ক করেন, যাতে তারা তাদের পাপের পথ থেকে ফিরে আসে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, মানুষের কৃতকর্মের দরুন স্থলে ও সমুদ্রে ফাসাদ প্রকাশ পায়। যার ফলে আল্লাহ তাদের কতিপয় কৃতকর্মের স্বাদ তাদেরকে আস্বাদন করান, যাতে তারা ফিরে আসে। (সুরা : রুম, আয়াত : ৪১)

এই আয়াত দ্বারা বোঝা যায়, প্রাকৃতিক বিপর্যয় কখনো কখনো সতর্ক করার জন্য পাঠানো হয়, যাতে তারা নিজেদের ভুলত্রুটি উপলব্ধি করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে। তবে কোনো নির্দিষ্ট ভূমিকম্প কিংবা অন্য প্রাকৃতিক দুর্যোগকে নিশ্চিতভাবে আল্লাহর শাস্তি বলার সুযোগ নেই। কারণ কোনো দুর্যোগ কারো জন্য পরীক্ষা, কারো জন্য সতর্কবার্তা এবং কারো জন্য মর্যাদা বৃদ্ধির কারণও হতে পারে। কাকে কোন উদ্দেশ্যে দিয়েছেন, সেটা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।

তবে ভূমিকম্পের প্রবণতা বেড়ে যাওয়াকে হাদিস শরিফে কিয়ামতের পূর্বাভাস বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, কিয়ামত কায়েম হবে না, যে পর্যন্ত না ইলম (জ্ঞান) উঠিয়ে নেওয়া হবে, অধিক পরিমাণে ভূমিকম্প হবে, সময় সংকুচিত হয়ে আসবে, ফিতনা প্রকাশ পাবে এবং হারজ বৃদ্ধি পাবে। হারজ মানে হলো খুনখারাবি। তোমাদের ধনসম্পদ এত বৃদ্ধি পাবে যে উপচে পড়বে। (বুখারি, হাদিস : ১০৩৬)

তাই মুমিনের উচিত, সর্বাবস্থায় আল্লাহর কাছে তাওবা-ইস্তিগফার করা। বিশেষ করে ভূমিকম্প বা অন্য কোনো দুর্যোগ দেখা দিলে, দ্রুত আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করা। নিজেদের গুনাহ থেকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করা। কারণ গুনাহ আল্লাহকে ক্রোধান্বিত করে আর তাওবা আল্লাহর রহমত লাভে সহায়তা করে। মানুষ আল্লাহর দয়া ও রহমত ছাড়া অসহায়। 

 

মুসলমানের জীবনে মহররম ও আশুরা

আলেমা হাবিবা আক্তার
মুসলমানের জীবনে মহররম ও আশুরা

হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম। মহররম শব্দের অর্থ সম্মানিত ও মর্যাদাপূর্ণ। মহররমুল হারাম সেই চার মাসের একটি, যেগুলোর সম্মান ও মর্যাদা আল্লাহ আসমান-জমিন সৃষ্টির সময় থেকেই নির্ধারণ করে রেখেছেন। মহান আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর বিধানে আল্লাহর কাছে মাস গণনায় মাস ১২টি। তার মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস, এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান।

(সুরা : তাওবা, আয়াত : ৩৬)

আয়াতের ব্যাখ্যায় আল্লামা আশরাফ আলী থানবি (রহ.) লিখেছেন, আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী, তাঁর কাছে গণ্য মাসের সংখ্যা ১২টি চান্দ্রমাস। যেদিন তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকেই এ ব্যবস্থা নির্ধারিত। এর মধ্যে চারটি মাস বিশেষ মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী। (বয়ানুল কোরআন)

কাতাদা (রহ.) বলেছেন, সম্মানিত মাসগুলোতে নেককাজের সওয়াব অনেক বেশি। তাই এ মাসগুলোতে পাপকাজের শাস্তিও অধিক কঠোর। যদিও পাপ সব সময়ই বড় অপরাধ, তবু এসব মাসে তা আরো গুরুতর হয়ে ওঠে। (তাফসিরে মাজহারি)

মুফতি মুহাম্মদ শফি (রহ.) লিখেছেন, সব নবী-রাসুলের শরিয়ত এই বিষয়ে একমত যে এই চার মাসে ইবাদতের সওয়াব বৃদ্ধি করা হয় এবং কেউ যদি এ সময়ে গুনাহ করে, তবে তার পরিণতি ও শাস্তিও অধিক কঠোর হয়। (মাআরিফুল কোরআন)

মহররমের প্রথম দশক ও তার আমল

আল্লামা ইবনে রজব হাম্বলি (রহ.) বলেছেন, পূর্বসূরি মনীষীরা তিনটি দশকের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব ও সম্মান প্রদর্শন করতেন। তা হলো১. রমজান মাসের শেষ দশক, ২. জিলহজ মাসের প্রথম দশক, ৩. মহররম মাসের প্রথম দশক।

একাধিক হাদিস দ্বারা মহররম মাসের মর্যাদা প্রমাণিত। আবুজর গিফারি (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, রাতের কোন অংশ সবচেয়ে উত্তম এবং কোন মাস সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ? তিনি উত্তরে বললেন, রাতের মধ্যভাগ সবচেয়ে উত্তম। আর মাসগুলোর মধ্যে সর্বোত্তম হলো আল্লাহর মাস, যাকে তোমরা মহররম বলে ডাকো।

(খুসুসিয়াতে মাহে মহররমুল হারাম)

এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায় যে রমজান মাসের পর মহররম মাসের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। এ কারণেই ইসলামের ইতিহাসে এ মাসকে ইবাদত, আত্মশুদ্ধি, নেক আমল এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মহররম শুধু ইসলামী বছরের সূচনাই নয়, বরং এটি মুসলমানদের জন্য আত্মসমালোচনা, তাকওয়া বৃদ্ধি এবং আল্লাহর প্রতি নতুন অঙ্গীকারেরও এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ।

মহররম মাসে নফল রোজার বিশেষ গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। কারণ এ মাসটি আল্লাহর সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কিত বলে গণ্য হয়েছে। আল্লাহর দিকে এই মাসের এই বিশেষ সম্বন্ধই এর মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয় বহন করে। হাদিসে বলা হয়েছে, রমজানের রোজার পর সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর মাস মহররমের রোজা। (মিশকাত, হাদিস : ২০৪৮)

ফকিহরা বলেছেন, চারটি সম্মানিত মাস (আশহুরে হুরুম)-এর মধ্যে বিশেষভাবে মহররম মাসে সামর্থ্য ও সুযোগ অনুযায়ী বেশি বেশি নফল রোজা রাখাকে মুস্তাহাব বলেছেন।

মহররমের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো, আশুরার রোজা। এর গুরুত্ব সম্পর্কে আবু কাতাদা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমি আল্লাহর কাছে আশা করি, আশুরার দিনের রোজা পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ মাফ করবে। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)

মদিনায় হিজরতের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) দেখেন, ইহুদিরা আশুরার দিন রোজা রাখে। কারণ এ দিনে আল্লাহ তাআলা মুসা (আ.) ও তাঁর অনুসারীদের ফিরআউনের কবল থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন। তখন নবী (সা.) বলেন, মুসার সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা তোমাদের চেয়ে অধিক হকদার। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৪৬৮০)

 

মহররম মাসের কয়েকটি ঐতিহাসিক ঘটনা

ইসলামের ইতিহাসে মহররম মাস বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী। যেমন

ক. সপ্তম হিজরিতে এই মাসেই সংঘটিত হয় খায়বারের বিখ্যাত যুদ্ধ।

খ. ১৪ হিজরিতে সংঘটিত হয় ঐতিহাসিক কাদিসিয়ার যুদ্ধ। এ যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন সাআদ বিন আবি ওয়াক্কাস (রা.) এবং পারস্য বাহিনীর সেনাপতি ছিল বিখ্যাত রুস্তম। টানা তিন দিন কঠোর যুদ্ধের পর চতুর্থ দিনে মুসলমানরা বিজয় অর্জন করেন।

গ. ১৮ হিজরিতে সিরিয়া ও ইরাক অঞ্চলে তাউন-ই-আমওয়াস নামে ভয়াবহ মহামারি ছড়িয়ে পড়ে। এই মহামারিতেই ইন্তেকাল করেন আবু উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রা.), যিনি সে সময় মুসলিম বাহিনীর সঙ্গে ওই অঞ্চলে অবস্থান করছিলেন। একই বছরে ভাই ইয়াজিদ (রা.) ইন্তেকাল করলে ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) মুয়াবিয়া (রা.)-কে দামেশকের গভর্নর নিযুক্ত হন।

ঘ. ২৪ হিজরিতে আমর ইবনুল আস (রা.) বিজয়ীর বেশে মিসরে প্রবেশ করেন। আর এ বছরেই উসমান (রা.) খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ঙ. ৬১ হিজরির মহররম মাসে নবীজি (সা.)-এর দৌহিত্র হুসাইন বিন আলী (রা.) তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে শাহাদাতের অমৃত পান করেন।

চ. ৭৪ হিজরিতে ইন্তেকাল করেন আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)। (মাহে মহররমুল হারাম কি ফজিলত আওয়ার আহকাম)

এ ছাড়া সৃষ্টির প্রথম থেকে আজ পর্যন্ত অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক ঘটনা এই দিনে সংঘটিত হয়েছিল বলে ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়।

 

মহররম ও আশুরার করণীয়

প্রাজ্ঞ আলেমরা এই মাসে কিছু কাজ করার কথা বলেন। তা হলো

১. আশুরার রোজা রাখা।

২. পরিবারের সদস্যদের জন্য ব্যয়ে কিছুটা উদারতা প্রদর্শন করা।

৩. ফরজ ইবাদতের প্রতি বিশেষ যত্নবান হওয়া এবং নফল ইবাদত বেশি বেশি করা।

৪. গুনাহ ও অসৎ কাজ থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করা।

৫. সুন্নতের অনুসরণ ও অনুকরণের প্রতি যত্নশীল থাকা।

৬. ধর্মের অংশ নয় এমন মনগড়া ও ভিত্তিহীন নানা সামাজিক বা ধর্মীয় রীতিনীতি পরিহার করা।

আল্লাহ সবাইকে সঠিক জ্ঞান দান করুন। আমিন।